![]()
আগামী ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন সরকার ‘কৃষক কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এছাড়া আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের ৯ হাজার কারিগরি শিক্ষকের হাতে উন্নত প্রযুক্তির ট্যাব সরবরাহ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।
আজ বুধবার (১ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী বরাদ্দকৃত ৩০ মিনিটে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “কৃষকের সার্বিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে। পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে এই সেবার আওতায় আনা হয়েছে। দেশের প্রায় ১০টি জেলায় এই কর্মসূচি শুরু করা হবে।”
প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশের আটটি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের সকল কৃষককে এই সেবা পৌঁছানোর জন্য পর্যায়ক্রমে কাজ চলবে। দেশের প্রায় ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে ধাপে ধাপে এই সুবিধা দেওয়া হবে।
প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারদের জন্য সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপের বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলায় ৩৭ হাজার ৮১৪ পরিবারের প্রধান নারীকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে।”
শিক্ষা খাতের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ডিজিটাল দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ৯ হাজার শিক্ষকের হাতে ট্যাব প্রদান করা হবে।
শিক্ষা ব্যবস্থার ডিজিটাল অবকাঠামো জোরদারে ৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া কারিগরি ও দক্ষতা উন্নয়নে ১৭২ জন শিক্ষার্থীকে জাপানি ও ইতালীয় ভাষা শিক্ষার আওতায় আনা হবে। দেশের ৪১৮টি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে দ্রুতগতির ওয়াই-ফাই সংযোগও দেওয়া হবে।
শিশুদের কল্যাণে ও স্কুলে ঝরে পড়া রোধে বিশেষ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশের প্রতিটি উপজেলায় দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হয়েছে এবং শিগগিরই প্রাথমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর জন্য এ সুবিধা সম্প্রসারণ করা হবে।”