![]()
পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁওয়ের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নিজেই এ তথ্য জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’ প্রদান কর্মসূচি। সরকার ধারাবাহিকভাবে দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের জন্য প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ ‘ক্রীড়া কার্ড’ প্রদানও শুরু হলো।”
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ প্রি-পাইলটিং প্রজেক্টের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে সারা দেশে ১১টি উপজেলায় কৃষকদের হাতে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
১১টি উপজেলা হলো: টাঙ্গাইল সদর, পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়ের বোদা, বগুড়ার শিবগঞ্জ, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, কক্সবাজারের টেকনাফ, কুমিল্লা আদর্শ সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ এবং মৌলভীবাজারের জুড়ী।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। কর্মসূচির আওতায় ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকরা গড়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভর্তুকি বা কৃষি উপকরণ সহায়তা পাবেন। এছাড়া খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুমে নির্দিষ্ট শ্রেণীর কৃষকদের সরকার নির্ধারিত হারে আর্থিক অনুদান প্রদান করবে।
এর আগে ২৯ মার্চ কৃষক কার্ড চালুর কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভায় কমিটির অগ্রগতি বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও সঠিক কৃষকদের কাছে সেবা পৌঁছানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন।