![]()
মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে ইরানের কাছে ১৫-দফা শান্তি পরিকল্পনা হস্তান্তর করেছে। তবে বিবিসি এ ধরনের কোনো নথি এখনো যাচাই করতে পারেনি।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে বর্তমানে আলোচনা চলছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একটি চুক্তির বিষয়ে ‘মরিয়া’ হয়ে আছে। যদিও একদিন আগে ইরানি কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার করে এটিকে ‘ভুয়া খবর’ বলে উল্লেখ করেন।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, দেশটি অস্থায়ী নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী। একই সময়ে বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় ৬ শতাংশ কমলেও ইরান-ইসরায়েল পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, শত্রুভাবাপন্ন নয় এমন জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে। এতে বোঝা যায়, চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায় তেহরান।
অন্যদিকে, ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটিতে প্রায় ৮২ হাজার স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশ—যেমন পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসর—যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালাচ্ছে।
এছাড়া জেডি ভ্যান্স আলোচনায় যোগ দিতে পারেন বলে জানা গেছে, যা কূটনৈতিক কৌশলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে। যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি, যার মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস পরিবাহিত হয়, ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে এর প্রভাব পড়ছে।
সবমিলিয়ে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা, সামরিক সংঘাত এবং অর্থনৈতিক চাপ—সবকিছুই একসাথে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।