• হোম > বাংলাদেশ > ওয়াশিংটনে বৈশ্বিক সম্মেলনে জুবাইদা রহমানের শিশু-কেন্দ্রিক বার্তা

ওয়াশিংটনে বৈশ্বিক সম্মেলনে জুবাইদা রহমানের শিশু-কেন্দ্রিক বার্তা

  • বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৫
  • ৮৮

---

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের আলোচনার কেন্দ্রে যখন শিশুদের ভবিষ্যৎ উঠে আসে, তখন সেটি শুধু একটি কূটনৈতিক আয়োজন থাকে না—এটি হয়ে ওঠে মানবতার এক যৌথ অঙ্গীকার। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে অনুষ্ঠিত ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’ সম্মেলন সেই ধরনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

এই সম্মেলনে অংশ নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, যেখানে তিনি শিশুদের উন্নয়ন, শিক্ষা এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।

???? বৈশ্বিক মঞ্চে একত্রিত বিশ্বের কণ্ঠ

সম্মেলনটির আয়োজন করেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। এতে বিশ্বের ৪০টিরও বেশি দেশের ফার্স্ট লেডি ও রাষ্ট্রনেতাদের সহধর্মিণীরা অংশ নেন।

এই আয়োজন প্রমাণ করে, শিশুদের উন্নয়ন কোনো এক দেশের বিষয় নয়—এটি একটি বৈশ্বিক দায়িত্ব।

???? শিশু: প্রতিটি জাতির ভবিষ্যৎ

ডা. জুবাইদা রহমান তার বক্তব্যে বলেন,
“প্রতিটি দেশের ভবিষ্যৎ তার শিশুদের মধ্যেই লেখা থাকে।”

এই কথাটি শুধু একটি দৃষ্টিভঙ্গি নয়—এটি একটি বাস্তবতা, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মূল্যবোধের ওপর নির্ভরশীল।

তিনি শিশুদের জন্য—

  • নিরাপদ পরিবেশ
  • মানসম্মত শিক্ষা
  • সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা
    নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেন।

???? স্বাস্থ্য ও প্রতিরোধের গুরুত্ব

একজন চিকিৎসক হিসেবে তিনি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

শিশুর জীবনের শুরু থেকেই সঠিক যত্ন নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব—এই বার্তাই তিনি তুলে ধরেন।

???? শিক্ষা ও প্রযুক্তির সংযোগ

ডিজিটাল যুগে শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন—
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও শিক্ষাপ্রযুক্তি (এডটেক) বাংলাদেশের মতো দেশে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

শিক্ষকদের ট্যাবলেট সরবরাহ, ডিজিটাল পাঠ্যক্রম, মাল্টিমিডিয়া শ্রেণিকক্ষ—এসব উদ্যোগ শিক্ষাকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলছে।

বিশেষ করে শহর ও গ্রামের মধ্যে শিক্ষার ব্যবধান কমাতে প্রযুক্তির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

????‍???? নারী ক্ষমতায়ন: শক্তিশালী সমাজের ভিত্তি

নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি স্মরণ করেন খালেদা জিয়া-এর উদ্যোগ, যেখানে মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা হয়েছিল।

তিনি জানান, বর্তমান লক্ষ্য হলো এই সুযোগকে আরও বিস্তৃত করা—যাতে নারীরা উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত এগিয়ে যেতে পারে।

কারণ,
নারী ক্ষমতায়িত হলে পরিবার শক্তিশালী হয়, আর পরিবার শক্তিশালী হলে শিশুর ভবিষ্যৎ নিরাপদ হয়।

???? অংশীদারিত্বের গুরুত্ব

ডা. জুবাইদা রহমান বৈশ্বিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, সরকার, বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত প্রচেষ্টা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে—

  • নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ তৈরি
  • শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ
  • অভিভাবকদের ক্ষমতায়ন
    সম্ভব হবে।

???? ভবিষ্যতের দিকে দৃষ্টি

তার বক্তব্যের মূল বার্তা ছিল স্পষ্ট—
একটি সহনশীল, সহানুভূতিশীল এবং প্রস্তুত প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে এখনই বিনিয়োগ করতে হবে শিশুদের ওপর।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/8025 ,   Print Date & Time: Wednesday, 7 October 2026, 06:37:08 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh