![]()
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার হুমকি প্রত্যাহারের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে। আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, ইরান মধ্যাঞ্চলে ইসফাহানের কাভে স্ট্রিটে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসন ভবন এবং গ্যাস প্রেশার রেগুলেশন স্টেশন (GPRS) আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল খোররামশাহরের বিদ্যুৎকেন্দ্রে একটি গ্যাস পাইপলাইনে হামলার খবর এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘চলমান অপারেশনের’ অংশ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা মার্কিন–ইসরায়েলি কৌশল ইরানের অর্থনীতি এবং তেলের সরবরাহে চাপ সৃষ্টি করতে চায়। একই সঙ্গে, এটি ইরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং আঞ্চলিক প্রভাব যাচাই করার একটি পরীক্ষা হতে পারে।
ইরান পূর্বেই জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালি এবং উপকূলীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে রক্ষা করতে তারা প্রস্তুত। যদিও আংশিক ক্ষয় হয়েছে, তবে তেল ও গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ইরান এই হামলার জবাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্ত করবে এবং প্রয়োজন হলে সামরিক প্রতিশোধের সম্ভাবনাও উন্মুক্ত রাখবে।