• হোম > টেকনোলজি > বিটিসিএলের ট্রিপল-প্লে ও কোয়াড-প্লে সেবা আসছে: মাত্র ৫০০ টাকায় স্মার্টফোন

বিটিসিএলের ট্রিপল-প্লে ও কোয়াড-প্লে সেবা আসছে: মাত্র ৫০০ টাকায় স্মার্টফোন

  • রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:০০
  • ১৩৯

---

বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে। দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি টেলিযোগাযোগ কোম্পানি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) প্রথমবারের মতো নিয়ে আসছে ট্রিপল-প্লে ও কোয়াড-প্লে সেবা।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ। তিনি জানান, এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা একসাথে ভয়েস কল, ডেটা, ডিভাইস এবং বিনোদনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।

ট্রিপল-প্লে ও কোয়াড-প্লে কী কী সুবিধা আনবে?

ফাইজ তাইয়েব আহমেদের দেওয়া তথ্যমতে—

  1. বিটিসিএল এমভিএনও মোবাইল সিম চালু হবে।

  2. বিটিসিএল আলাপ আইপিফোন অ্যাপ ব্যবহার করে পাওয়া যাবে ভয়েস কল সুবিধা।

  3. আনলিমিটেড ডেটা দেবে বিটিসিএল জীপন ও আইএসপি সংযোগ।

  4. বিনোদনের জন্য যুক্ত থাকবে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ, চরকি, হইচই, পরবর্তীতে নেটফ্লিক্স ও অ্যামাজন প্রাইম যুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর ফলে গ্রাহকরা একসাথে কল, ইন্টারনেট এবং এন্টারটেইনমেন্ট সেবা পাবেন।

স্মার্টফোন কিস্তিতে

সবচেয়ে বড় সুখবর হলো—মাত্র ৫০০ টাকা কিস্তিতে স্মার্টফোন কেনা যাবে। এক বছরের প্যাকেজে ফোন পাওয়া যাবে একটি সামান্য ডিপোজিট দিয়ে।

ফাইজ তাইয়েব বলেন,
“অনেক নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ এককালীন টাকা না থাকার কারণে স্মার্টফোন কিনতে পারেন না। এ সমস্যার সমাধান করতেই এই পরিকল্পনা। এতে দেশের প্রান্তিক মানুষও সহজেই ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন।”

স্থানীয় উৎপাদনকারীরা যুক্ত হবে

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যেই একাধিক স্থানীয় মোবাইল উৎপাদক প্রতিষ্ঠান কিস্তিতে ফোন বিক্রিতে সম্মত হয়েছে। ৫০০ টাকার মাসিক কিস্তিতে তারা মানসম্মত স্মার্টফোন সরবরাহ করবে। অক্টোবরে বিটিসিএল এ বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা দেবে।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই উদ্যোগ?

বাংলাদেশে এখনও অনেক মানুষ আধুনিক যোগাযোগ ও ডিজিটাল সেবার বাইরে রয়ে গেছেন। বিশেষত, স্মার্টফোন ডিভাইসের সীমাবদ্ধতা তাদের বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফাইজ তাইয়েব বলেন—
“আমরা চাই মানুষের যোগাযোগে সীমাবদ্ধতা দূর হোক। ভয়েস, ডেটা, কনটেন্ট ও ডিভাইস—সবই যেন সহজে সবার নাগালে আসে।”

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে দেশের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি (Digital Inclusion) বাড়বে, অন্যদিকে বৈধ ওটিটি ব্যবহার করে কনটেন্ট পাইরেসি কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/5062 ,   Print Date & Time: Wednesday, 4 February 2026, 07:51:52 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh