![]()
ইবি রিপোর্ট
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে শোভাযাত্রা আয়োজন করেছে ক্ষমতাসীন বিএনপি। এ কর্মসূচিতে অংশ নিতে শনিবার সকাল থেকেই নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন হাজার হাজার নেতাকর্মী। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে ছোট ছোট মিছিল নিয়ে সেখানে আসছেন তাঁরা। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হবে এই শোভাযাত্রা।
শনিবার (৭ নভেম্বর) বেলা ৩টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি কাকরাইল মোড়, প্রধান বিচারপতির বাসভবন, মৎস্য ভবন, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, বাংলামোটর ও ফার্মগেট হয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হবে।
রাজধানীর পাশাপাশি দেশের সব জেলা এবং বিভাগীয় মহানগরেও একই দিনে শোভাযাত্রার আয়োজন করেছে বিএনপি। এ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় আগামীকাল ৮ নভেম্বর থানা ও উপজেলা পর্যায়ে পৃথক র্যালি অনুষ্ঠিত হবে।
শোভাযাত্রা শুরুর আগে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন।
এদিকে দুপুরের আগেই নয়াপল্টন ও আশপাশের সড়কগুলোতে বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। সকাল থেকে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে মিছিল নিয়ে আসেন তাঁরা।
নেতাকর্মীদের হাতে জাতীয় ও দলীয় পতাকার পাশাপাশি ব্যানার, ফেস্টুন এবং বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। বিভিন্ন রঙের টি-শার্ট ও টুপি পরে তাঁরা নানা স্লোগান দেন। এতে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকা মুখর হয়ে ওঠে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ের জ্যেষ্ঠ নেতারাও এই শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন।
কর্মসূচি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দলটির পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি। মূল সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপির নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকেরা। পাশাপাশি অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নয়াপল্টনসহ শোভাযাত্রার পুরো পথজুড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য।