![]()
ইবি রিপোর্ট
আমদানি দায় নিষ্পত্তিতে আকুকে বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। এর পরই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। সর্বশেষ হিসাবে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলারে।
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন বা আকুকে ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এই তথ্য উঠে এসেছে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের এই হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থ পরিশোধের আগে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩১ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার।
আকুর বিল পরিশোধের ফলে রিজার্ভের পরিমাণ কমে বর্তমান অবস্থানে এসেছে। বাংলাদেশ সদস্য দেশগুলোর বাণিজ্যিক লেনদেন নিষ্পত্তিতে নিয়মিত এই ব্যবস্থাটি ব্যবহার করে।
সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য-সম্পর্কিত লেনদেন সহজ করতে ১৯৭৪ সালে আকু প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি আঞ্চলিক বহুপাক্ষিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে।
আকু পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর আমদানি বিল নিয়মিত পরিশোধ করা হয়। এই ব্যবস্থায় প্রতি দুই মাস অন্তর সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক বাণিজ্য লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়।
বাংলাদেশ ছাড়াও আকুর আঞ্চলিক লেনদেন ব্যবস্থায় আরও আটটি দেশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। দেশগুলো হলো ভারত, ভুটান, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।
এই নয়টি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পারস্পরিক বাণিজ্য লেনদেন সম্পন্ন করে। মূলত সদস্য দেশগুলোর আমদানি ও বাণিজ্য-সম্পর্কিত অর্থ পরিশোধ সহজ করাই এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য।
সর্বশেষ ১ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর বাংলাদেশের রিজার্ভ ৩০ বিলিয়নের নিচে নেমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলারে।