• হোম > অর্থনীতি | ই-কমার্স | জাতীয় | দেশজুড়ে > সদস্যকেন্দ্রিক ই-ক্যাব গড়ার প্রত্যয়ে আবু সুফিয়ান নিলাভ

সদস্যকেন্দ্রিক ই-ক্যাব গড়ার প্রত্যয়ে আবু সুফিয়ান নিলাভ

  • শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২২
  • ১১

---

ইবি রিপোর্ট

বাংলাদেশের ই-কমার্স খাত দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির বিকাশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার, ডিজিটাল বিপণনের নতুন কৌশল এবং অনলাইনভিত্তিক ব্যবসার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে উদ্যোক্তাদের সামনে যেমন নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে দক্ষতা, নিরাপত্তা ও প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ। এই বাস্তবতায় সদস্যদের প্রয়োজন ও সমস্যাকে কেন্দ্র করে একটি কার্যকর বাণিজ্য সংগঠন গড়ে তোলার কথা বলছেন ই-ক্যাব নির্বাচন ২০২৬–২০২৮-এর প্রার্থী আবু সুফিয়ান নিলাভ।

দীর্ঘদিন ধরে ই-কমার্স, ভিজুয়াল ব্র্যান্ডিং, সৃজনশীল প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত নিলাভ মনে করেন, একটি সংগঠনের প্রকৃত শক্তি তার সদস্যরা। তাই সংগঠনের কার্যক্রম এমন হওয়া প্রয়োজন, যেখানে সদস্যরা শুধু নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ পাবেন না; বরং নিজেদের ব্যবসা এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা, ব্র্যান্ডিং সহায়তা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং নতুন বাজারের সুযোগ সম্পর্কেও বাস্তব সহযোগিতা পাবেন।

তার পরিকল্পনার কেন্দ্রে রয়েছে সদস্যদের ব্যবসায়িক দৃশ্যমানতা বাড়ানো, ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করা, সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং নতুন প্রযুক্তি—বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই—ব্যবহারের সক্ষমতা বাড়ানো। একই সঙ্গে উদ্যোক্তাদের অগ্রগতি যেন শুধু পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং তার ফলাফল পরিমাপযোগ্য হয়—সেদিকেও গুরুত্ব দিতে চান তিনি।

ব্র্যান্ডিংকে পেশাগত পরিচয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখেছেন

আবু সুফিয়ান নিলাভ নিজেকে একজন উদ্যোক্তা, ব্র্যান্ডিং বিশেষজ্ঞ এবং ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রির কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। তার পেশাগত জীবনের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ব্যবসা, মিডিয়া, ব্র্যান্ডিং ও প্রযুক্তির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা।

২০১১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নিজল ক্রিয়েটিভ’। প্রতিষ্ঠানটি ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, ভিজুয়াল ব্র্যান্ডিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কাজ করছে। নিজের কর্মজীবনে ব্র্যান্ডিংকেই তিনি মূল পরিচয় হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে ই-কমার্সভিত্তিক ব্যবসার পণ্য ও সেবাকে ভিজুয়ালি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৯ বছরের পেশাগত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি গত ১৬ বছরে তিনি দেশের ২০০টির বেশি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন। এ সময় পাঁচ হাজারের বেশি উদ্যোক্তার সঙ্গে সরাসরি কাজ ও পথচলার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি ভালো পণ্য থাকলেই অনলাইন ব্যবসায় সফলতা নিশ্চিত হয় না। পণ্যটি কীভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, তার ব্র্যান্ডিং কতটা কার্যকর এবং ক্রেতার সামনে ব্যবসাটি কীভাবে দৃশ্যমান হচ্ছে—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ই-কমার্স খাতের অনেক উদ্যোক্তার জন্য এই জায়গাগুলোতে আরও দক্ষতা অর্জনের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

পেশাগত পথচলা থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার যাত্রা

নিলাভের পেশাগত ক্যারিয়ারের শুরু ২০০৭ সালে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসা, ব্র্যান্ডিং, মিডিয়া ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করতে করতে তিনি অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। ২০১০ সালে উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজের উদ্যোগ গড়ে তোলার পথেও যাত্রা শুরু করেন।

পরের বছর ‘নিজল ক্রিয়েটিভ’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তার উদ্যোক্তা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়। এরপর ই-কমার্স, ব্র্যান্ডিং এবং বিভিন্ন ধরনের ক্রিয়েটিভ সলিউশন নিয়ে কাজ করতে থাকেন তিনি।

কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৫ সালে তিনি ‘বেস্ট ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কার পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। দেশের বাইরের বাজারের সঙ্গেও তার কাজের সংযোগ রয়েছে। তার তথ্য অনুযায়ী, অ্যামাজন ও আলিবাবার মতো আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসেও তার প্রতিষ্ঠানের কাজ যাচ্ছে।

ই-কমার্সের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাকে সংগঠনের কাজে প্রয়োগ করতে চান তিনি। তার মতে, ব্যবসার পরিবেশ এখন শুধু স্থানীয় বাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের সঠিক ব্যবহার জানলে উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন বাজার ও সম্ভাবনার ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।

ই-ক্যাব নির্বাচনে আগের অভিজ্ঞতা

ই-ক্যাবের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সঙ্গেও এর আগে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করেছেন আবু সুফিয়ান নিলাভ। ২০২২–২০২৪ মেয়াদের নির্বাচনে তিনি ‘চেঞ্জ মেকার্স’ প্যানেলের সঙ্গে অংশ নেন। তার মতে, সেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংগঠন পরিচালনা, পরিকল্পনা এবং পেশাদারিত্বের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ হয়।

পরবর্তী সময়েও ই-কমার্স খাতের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ বজায় রেখেছেন তিনি। বর্তমান নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি সদস্যদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিজের পরিকল্পনা তুলে ধরছেন।

তার দৃষ্টিভঙ্গিতে, ই-ক্যাবের মতো সংগঠনকে আরও কার্যকর করতে হলে শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কার্যক্রম যথেষ্ট নয়। সংগঠনের সদস্যদের কাছে বাস্তব সুবিধা পৌঁছানো এবং তাদের ব্যবসার দৈনন্দিন সমস্যাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

নতুন উদ্যোক্তাদের সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ

নিজের ইশতেহারে নিলাভ ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের কয়েকটি বাস্তব সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো সঠিক দিকনির্দেশনার অভাব।

তার মতে, নতুন অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসা শুরু করলেও কোথা থেকে শুরু করবেন, কীভাবে নিজেদের ব্র্যান্ড তৈরি করবেন বা কোন দক্ষতা আগে অর্জন করা প্রয়োজন—এসব বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা পান না। ফলে অনেকের উদ্যোগ শুরু হওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিতভাবে এগোতে পারে না।

ব্র্যান্ডিংয়ের দুর্বলতাকেও তিনি একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন। অনলাইন ব্যবসায় ক্রেতারা প্রথমেই পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের উপস্থাপনা দেখেন। ফলে ভালো পণ্য থাকা সত্ত্বেও কার্যকর উপস্থাপনার অভাবে অনেক উদ্যোক্তা পিছিয়ে পড়তে পারেন।

ঢাকার বাইরের উদ্যোক্তাদের বিষয়টিও তার অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে। তার মতে, রাজধানীর বাইরে থাকা অনেক উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ, নেটওয়ার্কিং এবং বিভিন্ন সুযোগ থেকে তুলনামূলকভাবে দূরে থাকেন। সংগঠনের কার্যক্রমের সুবিধা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সদস্যদের কাছে আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।

সাইবার নিরাপত্তা ও এআই দক্ষতায় গুরুত্ব

ডিজিটাল ব্যবসার বিস্তারের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টিও ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। নিলাভের ইশতেহারে হ্যাকিং, জালিয়াতি ও অনলাইন প্রতারণার ঝুঁকির কথা তুলে ধরা হয়েছে। তার মতে, এমন পরিস্থিতিতে অনেক উদ্যোক্তা সমস্যায় পড়লে প্রয়োজনীয় সহায়তার জায়গা খুঁজে পান না।

তিনি মনে করেন, ডিজিটাল ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়ানো দরকার। সংগঠনের মাধ্যমে এ বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।

একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারকে তিনি ভবিষ্যৎ ব্যবসার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন। প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এআইকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে ব্যবসার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। কিন্তু তার মতে, অনেক উদ্যোক্তা এখনো জানেন না কোথা থেকে এআই ব্যবহার শুরু করবেন বা ব্যবসায় এটি কীভাবে কাজে লাগানো যায়।

তাই সদস্যদের জন্য এআইভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টি তার পরিকল্পনায় রয়েছে। প্রযুক্তিকে শুধু আলোচনার বিষয় না রেখে উদ্যোক্তাদের দৈনন্দিন ব্যবসার কাজে ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ওপর জোর দিতে চান তিনি।

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সহায়তার ভাবনা

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ সুযোগ ও সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন আবু সুফিয়ান নিলাভ। তার ইশতেহার অনুযায়ী, নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়লেও তাদের জন্য বিশেষায়িত সহায়তা কার্যক্রম আরও সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন।

তিনি মনে করেন, নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক এবং প্রয়োজনভিত্তিক সহযোগিতার সুযোগ বাড়ানো গেলে ই-কমার্স খাতে তাদের অংশগ্রহণ আরও শক্তিশালী হতে পারে।

এক্ষেত্রে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট কার্যক্রমকে কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

সদস্যবান্ধব সংগঠনের লক্ষ্য

নিলাভের পরিকল্পনার মূল বক্তব্য হলো, ই-ক্যাবকে এমন একটি সদস্যবান্ধব সংগঠনে পরিণত করা, যেখানে সদস্যরা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার বাস্তব সুফল পাবেন।

তার মতে, শুধু পরিচিতি বাড়ানো বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মধ্যে সংগঠনের ভূমিকা সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। উদ্যোক্তাদের ব্যবসার দৃশ্যমানতা বাড়ানো, পণ্য ও সেবার উপস্থাপনা উন্নত করা, ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানো এবং নতুন বাজারের সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার মতো বিষয়গুলোও গুরুত্ব পেতে হবে।

তিনি তার পেশাগত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ই-কমার্স খাতের সদস্যদের ব্র্যান্ডিং ও ভিজুয়াল উপস্থাপনা উন্নয়নে অবদান রাখতে চান। একই সঙ্গে নতুন উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে দেশের ই-কমার্স ইকোসিস্টেমকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার কথাও বলছেন তিনি।

তার দৃষ্টিতে, সংগঠনের প্রতিটি উদ্যোগের ফলাফল মূল্যায়নযোগ্য হওয়া দরকার। অর্থাৎ কোনো পরিকল্পনা গ্রহণের পর সেটি সদস্যদের ব্যবসায় কী ধরনের পরিবর্তন আনছে, কতজন উদ্যোক্তা উপকৃত হচ্ছেন এবং দক্ষতা উন্নয়নের কার্যক্রম কতটা কার্যকর হচ্ছে—এসব বিষয়েও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

জেলা থেকে বৈশ্বিক বাজারের ভাবনা

ই-কমার্সের সম্ভাবনা এখন শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক নয়—এমন ধারণা থেকেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নিলাভ। তার মতে, জেলা পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ ও নেটওয়ার্কের সুযোগ বাড়ানো গেলে ই-কমার্সের পরিধি আরও বিস্তৃত হতে পারে।

একই সঙ্গে তার দীর্ঘমেয়াদি ভাবনায় রয়েছে একটি বৈশ্বিক ই-কমার্স শিল্প গড়ে তোলার প্রত্যয়। এ ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডিং, প্রযুক্তি, এআই দক্ষতা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে দেখছেন তিনি।

সব মিলিয়ে, ই-ক্যাব নির্বাচন ২০২৬–২০২৮ সামনে রেখে আবু সুফিয়ান নিলাভ যে পরিকল্পনা তুলে ধরছেন, তার কেন্দ্রে রয়েছে উদ্যোক্তা ও সংগঠনের সদস্যরা। দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা, ব্র্যান্ডিং ও ই-কমার্স খাতে কাজের অভিজ্ঞতাকে সাংগঠনিক পর্যায়ে কাজে লাগিয়ে একটি কার্যকর, দক্ষতা-ভিত্তিক এবং সদস্যবান্ধব সংগঠন গড়ে তোলার কথা বলছেন তিনি।

ই-কমার্স খাত প্রযুক্তির সঙ্গে যত দ্রুত পরিবর্তিত হবে, উদ্যোক্তাদের সামনে নতুন দক্ষতা ও নতুন চ্যালেঞ্জও তত বাড়বে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সদস্যদের ব্যবসা, দক্ষতা ও নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিতে পারলে একটি সংগঠন শুধু প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ না থেকে উদ্যোক্তাদের বাস্তব অগ্রগতির অংশীদার হয়ে উঠতে পারে—আবু সুফিয়ান নিলাভের নির্বাচনী ভাবনার মূল বার্তাও যেন সেখানেই।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/21311 ,   Print Date & Time: Saturday, 7 November 2026, 11:54:58 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh