• হোম > আন্তর্জাতিক | উত্তর আমেরিকা | বিদেশ > আমেরিকানরা বিরক্ত হলে ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা ট্রাম্পের

আমেরিকানরা বিরক্ত হলে ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা ট্রাম্পের

  • বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৩:৫২
  • ২৩

---

 

ইবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ তাঁর ওপর বিরক্ত হয়ে পড়লে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইসরায়েলে নিজের জনপ্রিয়তা ৯৯ শতাংশ বলেও দাবি করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রসিকতার ছলে এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

কানাডার সংবাদমাধ্যম ইয়াহু লাইফস্টাইলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সাক্ষাৎকারে ৮০ বছর বয়সী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইসরায়েলে তাঁর জনপ্রিয়তা এত বেশি যে যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ তাঁকে পছন্দ না করলে তিনি সেখানে চলে যেতে পারেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরায়েলে আমার জনপ্রিয়তার হার ৯৯ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ যদি আমার ওপর বিরক্ত হয়ে যায়, তাহলে আমি ইসরায়েলে চলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাব।’

একই সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া আর্থিক সহায়তা বন্ধের বিষয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। সেই অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ ইসরায়েলকে বছরে ৪০০ কোটি ডলারের সহায়তা দেওয়া বন্ধ করবে ওয়াশিংটন।

ট্রাম্পের ভাষ্য, ইসরায়েলের এখন আর এই অর্থের প্রয়োজন নেই। দেশটি নিজের আর্থিক সক্ষমতা দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতে পারবে বলেও মনে করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, নেতানিয়াহুই সহায়তা বন্ধের বিষয়টি আলোচনায় তুলেছিলেন। তাঁর সঙ্গে কয়েক বছর ধরে এ নিয়ে কথা হয়েছে এবং কয়েক মাস আগে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প।

তবে ট্রাম্পের ঘোষণার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিদ্যমান সামরিক সহায়তা চুক্তির সময়সীমার পার্থক্য রয়েছে। বর্তমান সমঝোতা অনুযায়ী, ইসরায়েলকে বছরে প্রায় ৩৮০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দেওয়ার কথা, যার মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত। ফলে চলতি বছরের শেষেই এই সহায়তা বন্ধ করা হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প ঠিক কোন ধরনের অর্থায়ন বন্ধের কথা বলেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও কংগ্রেসের ভূমিকা রয়েছে।

ট্রাম্পের বক্তব্যে ইসরায়েলকে দেওয়া মার্কিন সহায়তার পরিমাণ এবং দেশটির আর্থিক প্রয়োজনীয়তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর ঘোষণার পর সহায়তা বন্ধের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও সময়সূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/21127 ,   Print Date & Time: Thursday, 5 November 2026, 09:23:45 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh