• হোম > দেশজুড়ে > অবরোধ শিথিল হলেও পরিবহন ধর্মঘটে অচল সাজেক সড়ক

অবরোধ শিথিল হলেও পরিবহন ধর্মঘটে অচল সাজেক সড়ক

  • রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৪:০৮
  • ২৪

---

 

ইবি রিপোর্ট

টানা ১০ দিনের অবরোধ কর্মসূচি এক দিনের জন্য শিথিলের ঘোষণা দেওয়া হলেও স্বাভাবিক হয়নি সাজেকের পর্যটন সড়কের যান চলাচল। পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে রোববার (১ নভেম্বর) সড়কটিতে কোনো যানবাহন চলেনি। এক দিনের জন্য নয়, সাজেক সড়ক স্থায়ীভাবে খুলে দেওয়ার দাবিতে তাঁরা এ কর্মসূচি পালন করছেন।

সাজেকে গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে ২২ অক্টোবর থেকে তৃতীয় দফায় অবরোধ চলছিল। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন ও ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রোববার এক দিনের জন্য কর্মসূচি শিথিলের ঘোষণা দেয় সংগঠন দুটি। গত শুক্রবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো যৌথ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা বাসস্টেশনের লাইনম্যান স্বপন চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, পরিবহন খাতের সবাই মিলে খাগড়াছড়ি থেকে দীঘিনালা এবং দীঘিনালা থেকে মারিশ্যা ও সাজেক সড়কে ধর্মঘট ডেকেছেন। তাঁর ভাষ্য, এক দিনের জন্য সাজেক সড়ক খুলে না দিয়ে স্থায়ীভাবে খুলে দেওয়ার দাবিতেই মূলত এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

একই তথ্য জানিয়েছেন বাঘাইহাট-সাজেক রুটের লাইনম্যান মো. জসিম। তিনি বলেন, সাজেকে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পরিবহন খাতের মালিক ও শ্রমিকেরা এ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

অবরোধের কারণে গত ১০ দিন ধরে যান চলাচল বন্ধ থাকায় সাজেকের বিভিন্ন এলাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। অবরোধ শিথিলের দিনেও পরিবহন ধর্মঘট অব্যাহত থাকায় প্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বনবিহারী চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, দুটি সংগঠন এক দিনের জন্য অবরোধ শিথিল করলেও পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে গাড়ি চলাচল করছে না। এতে স্থানীয় মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

তিনি আরও বলেন, তাঁর ওয়ার্ডের অধিকাংশ মানুষ জুমচাষি। জুমে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রি করেই তাঁদের জীবিকা চলে। কিন্তু যানবাহন না চলায় জুমে উৎপাদিত কলা, পেঁপেসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য খেতেই পেকে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাজেকে যান চলাচল করছে না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

অবরোধ এক দিনের জন্য শিথিল হলেও পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কাটেনি। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য বাজারজাত করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/20788 ,   Print Date & Time: Sunday, 1 November 2026, 10:58:15 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh