![]()
ইবি রিপোর্ট
সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ঢাকা থেকে খুলনা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ামুখী লংমার্চ শুরু করেছে ১১ দলীয় জোট। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট থেকে কর্মসূচিটি শুরু হয়। পথে শরীয়তপুরের নাওডোবা ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানিতে পথসভা করেছে জোটের নেতাকর্মীরা।
জামায়াতে ইসলামীর প্রচার সেলের তথ্য অনুযায়ী, লংমার্চের বহর গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পৌঁছালে হাজারো নারী-পুরুষ তাদের স্বাগত জানান। সেখানে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ভাটিয়াপাড়া মোড়ে পথসভাটি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন ১১ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, ‘জনতার উচ্ছ্বাসকে সম্মান জানিয়ে জামায়াত আমির ১১ দলের সাত দফা দাবি আদায়ে অনড় ভূমিকা পালনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।’
পথসভা শেষে লংমার্চের বহর খুলনার উদ্দেশে রওনা হয়। সেখানে খুলনা মহানগরীর শিববাড়ির মোড় এবং ফুলতলার বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে জোটের নেতাকর্মীদের।
খুলনার কর্মসূচি শেষে লংমার্চের বহর যশোরের মুড়লীর মোড়ে যাবে। সেখানে পথসভা শেষে ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালেও আরেকটি পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।
কর্মসূচির শেষ পর্বে কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। এই সমাবেশের মধ্য দিয়ে ঢাকা থেকে শুরু হওয়া লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টার দিকে শরীয়তপুরের নাওডোবায় একটি পথসভায় অংশ নেয় লংমার্চের বহর। তারও আগে সকাল ৭টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এর আগে আরও দুটি লংমার্চ কর্মসূচি পালন করেছে ১১ দলীয় জোট। গত ৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম অভিমুখে প্রথম লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় লংমার্চ করা হয় রংপুরের উদ্দেশে।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার ঢাকা থেকে খুলনা, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়াকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে জোটটি।