![]()
ইবি রিপোর্ট
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে অধিকাংশ সূচকের পতনের সঙ্গে কমেছে বাজার মূলধনও। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটির বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ০৪ শতাংশ। তবে একই সময়ে দৈনিক গড় লেনদেন এবং শেয়ার ও ইউনিট হাতবদলের পরিমাণ বেড়েছে।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহ শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এ পরিমাণ ছিল ৬ লাখ ৮১ হাজার ৫৮৭ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহে বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা।
অধিকাংশ সূচকে পতন
বিদায়ী সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪১৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকটি ছিল ৫ হাজার ৪৫০ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইএক্স কমেছে ৩৩ দশমিক ১৯ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ।
একই সময়ে ডিএসই-৩০ সূচক ১৬ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৭৯ শতাংশ কমে ২ হাজার ৮৬ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসইএস সূচক ১৯ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৫০ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে।
লেনদেন ও শেয়ার হাতবদল বেড়েছে
বাজার মূলধন ও সূচকে পতন হলেও বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে ৪৫০ কোটি ৭ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৯৫ কোটি ২০ লাখ টাকা। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে শেয়ার ও ইউনিট মিলিয়ে মোট ২ হাজার ২৫০ কোটি ৩৮ লাখ ৩০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ১৮৫ কোটি ৬২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
এ সময়ে মোট ৮৭ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে। আগের সপ্তাহে হাতবদলের পরিমাণ ছিল ৪০ কোটি ৭২ লাখ ৬০ হাজার।
২৫০ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে
সপ্তাহের বাজার চিত্রে দেখা যায়, ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ১০৯টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে ২৫০টির দর কমেছে এবং ২৫টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল। এ ছাড়া ২৭টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়নি।
বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইর বিভিন্ন বাজার ও প্ল্যাটফর্মেও লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ব্লক মার্কেটে ১৭৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, এসএমই মার্কেটে ১২ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে ৫২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ৩ কোটি ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।