![]()
ইবি রিপোর্ট
২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ বছর এ বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী। ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। মোট উত্তীর্ণ ৩৬ হাজার ৩৫৪ জনের মধ্যে ছাত্রী ২০ হাজার ৭০৭ জন এবং ছাত্র ১৫ হাজার ৬৪৭ জন।
শনিবার সকাল ১১টায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. শাহাদত উল্লাহ ফলাফল প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ.জ.ম. রেজউল করিম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বোর্ডের সচিব প্রফেসর মো. এনামুল হক এবং কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এস.এম. আরিফুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষিবিদ ড. আ খ ম কামাল হাসান।
বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছিলেন ৭৩ হাজার ৪২০ জন শিক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৭০ হাজার ৬৭৩ জন। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছাত্র ছিলেন ৩৩ হাজার ৩৭ জন এবং ছাত্রী ৩৭ হাজার ৬৩৬ জন।
পরীক্ষায় মোট ৩৬ হাজার ৩৫৪ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৫ হাজার ৬৪৭ জন ছাত্র এবং ২০ হাজার ৭০৭ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পাওয়া ২ হাজার ১৩৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ১৮ জন এবং ছাত্রী ১ হাজার ১১৯ জন।
এ ছাড়া ৮ হাজার ১৯৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৪ থেকে ৫-এর মধ্যে পেয়েছেন। জিপিএ ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৪-এর মধ্যে নম্বর পেয়েছেন ৮ হাজার ৫১৮ জন।
এ বছর ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১১৩টি কেন্দ্রে ৩১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঁচটিতে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। অন্যদিকে, ১৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি।
বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। এ বিভাগে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। মানবিক বিভাগে পাস করেছেন ৪৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে এ হার ৪২ দশমিক ৭২ শতাংশ।
জেলাভিত্তিক ফলাফলে ময়মনসিংহ জেলায় পাসের হার সবচেয়ে বেশি, ৫৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। অন্যদিকে, শেরপুর জেলায় পাসের হার ৪৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। নেত্রকোনায় ৪৩ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং জামালপুরে ৪৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।
সামগ্রিক ফলাফলে ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এ বোর্ড থেকে ২ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।