• হোম > ই-কমার্স | উদ্যোক্তা | এন্টারপ্রেনার | জাতীয় | দেশজুড়ে > ই-ক্যাব সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা, স্থায়ী কার্যালয় ও সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চান সাকিফ শামীম

ই-ক্যাব সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা, স্থায়ী কার্যালয় ও সমস্যা সমাধানে কাজ করতে চান সাকিফ শামীম

  • বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৫৩
  • ৫৮

---

ইবি রিপোর্ট

ই-কমার্স খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সমস্যা সমাধান, সরকারের সঙ্গে নীতিগত যোগাযোগ বাড়ানো এবং সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) আসন্ন নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী সাকিফ শামীম। একই সঙ্গে সংগঠনটির স্থায়ী কার্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং ছোট-বড় সব উদ্যোক্তার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

বুধবার ঢাকার ধানমন্ডিতে ‘আগামীর ই-ক্যাব ভাবনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এসব বিষয় উঠে আসে। সভায় ই-ক্যাবের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম, সদস্যদের প্রত্যাশা, উদ্যোক্তাদের সমস্যা এবং সংগঠনটির নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন ই-ক্যাব এর ফাউন্ডার মোহাম্মদ ইকবাল জামাল জুয়েল।

সভায় সাকিফ শামীম বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও এসএমই উদ্যোক্তাদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো সমাধানে সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। এ জন্য সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে যোগাযোগ ও সমন্বয় বাড়াতে হবে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ছোট-বড় সব ব্যবসায়ীর জন্য কাজ করতে চান তিনি।

ই-ক্যাবের সদস্যদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও কথা বলেন সাকিফ শামীম। তিনি জানান, ল্যাবএইড হাসপাতাল গ্রুপের সঙ্গে ই-ক্যাব সদস্যদের জন্য হেলথ কার্ড ও চিকিৎসাসেবায় ছাড় দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংগঠনের প্রায় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার সদস্যের পাশাপাশি তাঁদের স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানদেরও এ সুবিধার আওতায় আনার চেষ্টা করা হবে।

ই-ক্যাবের নিজস্ব ও স্থায়ী কার্যালয়ের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন সাকিফ শামীম। তাঁর ভাষ্য, ধানমন্ডির ৪ নম্বরে সংগঠনটির কার্যালয় থাকলেও অনেক সদস্য এ বিষয়ে জানেন না। বড় একটি সংগঠন হিসেবে ই-ক্যাবের স্থায়ী কার্যালয় থাকা এবং সদস্যদের কাছে সেটির পরিচিতি বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

ল্যাবএইড ক্যানসার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার এবং ওয়ান ট্যাপ সার্ভিস লিমিটেড এর পরিচালক মাসতুরা ফারজানা মোহনা বলেন, উদ্যোক্তারা নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রাখেন। তাই তাঁদের সমস্যা, চাহিদা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।

তিনি বলেন, উদ্যোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা, তাঁদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা এবং সেগুলো সরকারের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রে ই-ক্যাবের ভূমিকা রয়েছে। আসন্ন নির্বাচনে এমন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করেন তিনি, যারা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ছোট-বড় সব উদ্যোক্তাকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করবেন। এতে উদ্যোক্তাদের মধ্যে ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভায় ই-ক্যাব সদস্য হুরায়রা শিশিরও নেতৃত্ব, দক্ষতা উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, নেতৃত্ব মানে শুধু কোনো পদে থাকা নয়; বরং নিজের দক্ষতা বাড়ানো, অন্যদের কাছ থেকে শেখা এবং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। ব্যবসায়িক খাতের মানুষের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতার নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন তিনি।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/20650 ,   Print Date & Time: Thursday, 29 October 2026, 02:20:57 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh