• হোম > জাতীয় | প্রধানমন্ত্রী | বাংলাদেশ > জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফর

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর টোকিও সফর

  • মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৪
  • ১৮

---

 

ইবি রিপোর্ট

জাপানের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা নিয়ে টোকিও সফর করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে আজকের বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) বাস্তবায়ন, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসার কথা রয়েছে। সফরকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চারদিনের সরকারি সফরে গতকাল সকালে টোকিও পৌঁছান তারেক রহমান। জাপান সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, সানায়ে তাকাইচি তাঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করবেন। এ সফরে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদার করার পাশাপাশি হালনাগাদ মুক্ত ও অবাধ ইন্দো-প্যাসিফিক (এফওআইপি) বাস্তবায়নে সমন্বয় বাড়ানোর প্রত্যাশা করছে টোকিও।

সফরের প্রথম দিনে জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগের প্রতিনিধি দল, মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকি এবং জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। এসব আলোচনায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের বিষয় উঠে আসে।

জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসোর নেতৃত্বাধীন পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লিগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তারো আসোর দীর্ঘদিনের অবদানের কথা স্মরণ করেন তারেক রহমান। দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য তারো আসোকে আমন্ত্রণ জানান প্রধানমন্ত্রী।

মারুবেনি করপোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুমি কাকিনোকির সঙ্গে আলোচনায় গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত ইপিএ বাস্তবায়ন, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয় গুরুত্ব পায়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, জ্বালানি, উন্নত উৎপাদন শিল্প, কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানির আধুনিকায়ন এবং সম্ভাব্য দ্বিতীয় সার কারখানা স্থাপনে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান। বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত হিসেবে উল্লেখ করেন কাকিনোকি।

জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. আকিহিকো তানাকার সঙ্গে বৈঠকে অবকাঠামো ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের সহায়তা অব্যাহত রাখা, চলমান প্রকল্প দ্রুত শেষ করা এবং অগ্রাধিকার প্রকল্প সময়মতো বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়। স্মার্ট উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নগর, কৃষির আধুনিকায়ন, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে বিনিয়োগ অংশীদারত্বের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও সক্ষমতা বাড়াতেও জাপানের সমর্থন চান তিনি।

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সফরের প্রথম দিনের কর্মসূচি নিয়ে ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক জোরদার, জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর সহজ করার বিষয়ে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে আরো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।’ তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জাইকার প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার ঐতিহাসিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং চলমান প্রকল্পে সংস্থাটির সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরে জাপান সরকার ও জাইকার কাছ থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ ও আর্থিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে সফরের আগে জানা গিয়েছিল, অবকাঠামো খাতে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি এবং জ্বালানি, সবুজ রূপান্তর, জলবায়ু সহনশীলতা, উৎপাদন শিল্প ও ইলেকট্রনিকসসহ অন্যান্য খাতে ২৫০ থেকে ৩০০ কোটি ডলারের সহযোগিতা পাওয়া যেতে পারে।

মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর, মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ, বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট (বিগ-বি) ২.০, জ্বালানি ও উৎপাদন শিল্পে সহযোগিতা সফরে গুরুত্ব পেতে পারে। নতুন প্রকল্পে অর্থায়নের পাশাপাশি সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বেও আগ্রহী বাংলাদেশ।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। গত ২০ অক্টোবর ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম বলেন, ‘মাতারবাড়ী বন্দর পরিকল্পনার উৎস বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও আমদানি-রফতানির চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ অবকাঠামো সক্ষমতা গড়ে তোলা। আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ যে পরিমাণ পণ্য আমদানি-রফতানি করবে, সে অনুযায়ী কনটেইনার পরিচালনার সক্ষমতা নিশ্চিত করার প্রয়োজন থেকেই বন্দরটির পরিকল্পনা করা হয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, বাংলাদেশে অর্থায়নের ক্ষেত্রে জাপানের বিবেচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে গভীর সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রবেশের সুযোগও রয়েছে। তবে এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত নয়। বন্দরকে ঘিরে বাংলাদেশের নিজস্ব বাণিজ্যের পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এম মাসরুর রিয়াজ বণিক বার্তাকে বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সংযোগ ও বাণিজ্যিক সমন্বয় এখনো দুর্বল। রাজনৈতিক মতপার্থক্য, পারস্পরিক আস্থার ঘাটতি ও বিভিন্ন দেশের মধ্যে বিরোধ এর অন্যতম কারণ। তবে বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, নেপাল ও ভুটানকে যুক্ত করে দক্ষিণ এশিয়ার পূর্বাঞ্চলে একটি আঞ্চলিক সরবরাহ চেইন গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে। এর সঙ্গে মিয়ানমার হয়ে পূর্ব এশিয়ার সংযোগের সম্ভাবনাও বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।’

সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবিরের মতে, মাতারবাড়ী বন্দর পূর্ণ সক্ষমতায় কাজে লাগাতে বৃহত্তর আঞ্চলিক অর্থনীতিকে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘আসিয়ান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে একসঙ্গে যুক্ত করা গেলে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে।’ কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আঞ্চলিক কাঠামোর বাস্তবতা, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আগ্রহ ও বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে হবে।

জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সদ্য সাবেক সভাপতি তারেক রাফি ভূঁইয়া (জুন) বলেন, ‘বাংলাদেশের বৃহৎ অভ্যন্তরীণ বাজার জাপানি বিনিয়োগকারীদের অন্যতম আকর্ষণ। পাশাপাশি আঞ্চলিক বাণিজ্য, যোগাযোগ অবকাঠামো ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন ভবিষ্যতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে পারে। এবারের সফরে দুই দেশের বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ প্রস্তাবগুলো বাস্তব প্রকল্পে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন।’

প্রধানমন্ত্রীর সফরে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে জ্বালানি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ‘এনার্জি সেক্টর কো-অপারেশন’ নামে সম্ভাব্য এই সমঝোতার আওতায় এলএনজি অবকাঠামো, নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার এবং স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি আমদানির বিষয় থাকতে পারে।

জ্বালানি বিভাগ ও জাপানের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী কোম্পানি জেরা-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে জাপানি বিনিয়োগের বিষয়টি আলোচনায় আসতে পারে। দেশে গ্যাস সংকটের মধ্যে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে কয়েকটি দেশ আগ্রহ দেখালেও স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণে জাপানি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ দীর্ঘদিনের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মাতারবাড়ীতে স্থলভিত্তিক টার্মিনালের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন ও দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস সরবরাহ নিয়েও আলোচনা হতে পারে। তবে এবারের সফরে বাংলাদেশ এ টার্মিনাল নির্মাণে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেবে কি না, সে বিষয়ে পেট্রোবাংলার কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে মাতারবাড়ীতে এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে আগ্রহপত্র আহ্বান করা হয়। এতে আটটি কোম্পানিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এর মধ্যে জাপানের তিনটি কোম্পানি যৌথভাবে টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব দেয়। দৈনিক এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতাসম্পন্ন এই টার্মিনাল সরকার-টু-সরকার কিংবা সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে নির্মাণের পরিকল্পনা করা হলেও তা এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন, তবে বেসরকারি খাতের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টারা দেখছেন; ইআরডি মূলত সরকারি খাত নিয়ে কাজ করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পেট্রোবাংলার এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা নিয়ে একটি সমঝোতা সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় কাজ করেছে। জ্বালানি সহযোগিতা সমঝোতা সই হলে এলএনজি টার্মিনাল ও দীর্ঘমেয়াদে এলএনজি সরবরাহ প্রাধান্য পেতে পারে।’

জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) বাংলাদেশ প্রধান কাজুইকি কাতাওকা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে বাংলাদেশে জাপানি বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জাপানি কোম্পানিগুলোর অবদান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সফরের মাধ্যমে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের বাজার নিয়ে তাদের আগ্রহের বিষয়টি তুলে ধরার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এখনো বাংলাদেশের বাজার বিবেচনায় নেয়নি, তাদের কাছেও দেশটিকে পরিচিত করে তোলা সম্ভব হবে।’

সফরসূচি অনুযায়ী, আজ চিবা প্রিফেকচারে জেরার স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আগামীকাল টোকিওতে জেট্রোর আয়োজনে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সফরের শেষ দিন ২৯ অক্টোবর নাগোয়ার টয়োটা মোটোমাচি কারখানা এবং টয়োটা স্মারক শিল্প ও প্রযুক্তি জাদুঘর পরিদর্শন করবেন তিনি। টয়োটার আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা, বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের সমস্যার টেকসই ও শান্তিপূর্ণ সমাধান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্ব নিরসনে দুই দেশের ভূমিকা নিয়েও আলোচনার কথা রয়েছে। পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক অবকাঠামো, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, যোগাযোগ এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতায় বিস্তৃত হয়েছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/20425 ,   Print Date & Time: Tuesday, 27 October 2026, 08:12:34 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh