![]()
ইবি বিনোদন ডেস্ক
বলিউড তারকা টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর ঘটনায় তদন্তে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। এ ঘটনায় দুটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। অস্ত্র সরবরাহের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাঞ্জল ঠাকরান (২২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, হামলায় ব্যবহৃত দেশীয় পিস্তল সরবরাহ করেছিলেন তিনি।
গতকাল মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর থেকে প্রাঞ্জলকে গ্রেফতার করা হয়। ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় সংঘটিত গুলির ঘটনার তদন্তে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনি ১১তম। পুলিশের সন্দেহ, হামলার দায় স্বীকার করে বক্তব্য দেওয়া অনিল পণ্ডিতের সঙ্গেও প্রাঞ্জলের যোগাযোগ ছিল। ষড়যন্ত্রে তার কথিত ভূমিকা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা।
উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে তুরস্কে তৈরি জিগানা পিস্তল এবং একটি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র। পাশাপাশি গুজরাটের সুরাটে রেললাইনের পাশের ঝোপঝাড় থেকে ১০টি তাজা কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, পালিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত বন্দুকধারীরা সেখানে অস্ত্রগুলো ফেলে গিয়েছিলেন।
পুলিশের দাবি, টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর অভিযুক্তরা ট্যাক্সিতে করে মুম্বাই থেকে সুরাটে যান। সেখানে রেলস্টেশনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্রগুলো ফেলে রেখে দিল্লিগামী একটি ট্রেনে ওঠেন বলে অভিযোগ রয়েছে। উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলের মাধ্যমে এসব আলামতের সঙ্গে হামলার সংশ্লিষ্টতা যাচাই করতে চান তদন্তকারীরা।
এদিকে, জিগানা পিস্তলটি সরবরাহের সঙ্গে কুণাল জামিনসিংয়ের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ। এ ঘটনায় তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে হরিয়ানা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রটি মুম্বাইয়ে পৌঁছে দিতে দুই নারী তাকে সহায়তা করেছিলেন। ওই দুই নারীকে গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে।
প্রাঞ্জল ঠাকরান হরিয়ানার সোনিপত জেলার খারখোদার বাসিন্দা। মুম্বাই ও ইন্দোর ক্রাইম ব্রাঞ্চের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। তদন্তকারীরা এখন তার সঙ্গে অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ এবং হামলার দায় স্বীকার করা অনিল পণ্ডিতের যোগাযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
টাইগার শ্রফের গাড়িতে গুলির ঘটনাটি ঘিরে তদন্তে একের পর এক গ্রেফতার ও অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য সামনে আসছে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ এবং অভিযুক্তদের পারস্পরিক যোগাযোগ বিশ্লেষণ করে ঘটনার পেছনের যোগসূত্র বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।