![]()
ইবি বিনোদন ডেস্ক
বলিউড তারকাদের ওপর হামলার পরিকল্পনা নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে বিষ্ণোই গ্যাংকে ঘিরে। সম্প্রতি অভিনেতা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গত এক মাসে সালমান খান, রণবীর কাপুর ও আমির খানের বাড়িতেও নজরদারি চালিয়েছিল এই গ্যাং। টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন সময়ে বলিউড অভিনেতা সালমান খান, রণবীর সিং এবং পরিচালক রোহিত শেঠির ওপর হামলার ঘটনায় বিষ্ণোই গ্যাংয়ের নাম আলোচনায় এসেছে। এবার টাইগার শ্রফকে ঘিরে হামলার ঘটনায়ও নতুন করে আলোচনায় এসেছে গ্যাংটি। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য তদন্তকারীদের সামনে হামলার পরিকল্পনা সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন তুলে ধরেছে।
টাইগার শ্রফের ওপর হামলার ঘটনায় গত সোমবার রাজস্থানের কোটা থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে রাজস্থান পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ফুল সিং, রেহান আনসারি এবং তাদের সহযোগী ঋত্বিক কুমার, যিনি রোশন রামু মাহাতো নামেও পরিচিত। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, টাইগার শ্রফ এই গ্যাংয়ের মূল লক্ষ্য ছিলেন না।
জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকায় টাইগার শ্রফকে হামলার জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তরা আরও জানিয়েছে, তাদের মূল পরিকল্পনায় অন্য এক তারকাকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি ছিল। তবে ওই তারকার নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী হওয়ায় তার ওপর হামলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে টাইগার শ্রফকে ঘিরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে বুধবার (২১ অক্টোবর) দিল্লি থেকে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুই নারীও রয়েছেন। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, রাধা ও ববিতাকে নয়াদিল্লি রেলওয়ে স্টেশন থেকে আটক করা হয়। অন্যদিকে কুনাল ও সুমিত নামে দুই ব্যক্তিকে হরিয়ানার সোনিপত থেকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, কুনাল সম্প্রতি জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। পরে এক বন্ধুর মাধ্যমে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য অনিল পণ্ডিতের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। টাইগার শ্রফকে ঘিরে হামলার ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে বলিউডের একাধিক তারকার বাড়িতে নজরদারি চালানোর তথ্য সামনে আসায় তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। তবে কারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন এবং হামলার পেছনে কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে আরও পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।