![]()
ইবি রিপোর্ট
খাদ্য ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নতুন বিধান অনুযায়ী, খাদ্য ব্যবসার ধরন ও শ্রেণি বিবেচনায় নির্ধারিত নিয়মে নিবন্ধন অথবা লাইসেন্স নিতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে।
প্রবিধানমালা অনুযায়ী, চার শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, উৎপাদিত ও আমদানিকৃত পণ্যের লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যের নিবন্ধন গ্রহণের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এর আওতায় পথের ধারের ভ্রাম্যমাণ ও অস্থায়ী খাবারের দোকান, ছোট রেস্তোরাঁ, খাদ্য আমদানিকারক এবং বড় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ব্যবসা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে ব্যবসার ধরন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণ করতে হবে।
ব্যবসার ধরন অনুযায়ী নিবন্ধন ও লাইসেন্স
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রবিধানমালার তফসিলে খাদ্য ব্যবসাকে প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। প্রচলিত ১৬ ধরনের খাদ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে শুধু নিবন্ধন গ্রহণই যথেষ্ট হবে। অন্যদিকে, বিশেষ ধরনের বা ‘সুপার ফুড’ পণ্য নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স নিতে হবে।
নতুন বিধানে খাদ্য ব্যবসার বিভিন্ন পর্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ছোট পরিসরে খাবার বিক্রি থেকে শুরু করে খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও আমদানির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদেরও নিজেদের কার্যক্রমের শ্রেণি অনুযায়ী প্রযোজ্য শর্ত পূরণ করতে হবে।
খাদ্য ব্যবসার জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্সের এই ব্যবস্থা নিরাপদ খাদ্য আইন এবং সংশ্লিষ্ট প্রবিধানমালার আওতায় পরিচালিত হবে। কোন ধরনের ব্যবসার জন্য কী নথি, শর্ত ও প্রক্রিয়া প্রযোজ্য, তা সংশ্লিষ্ট শ্রেণির বিধান অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।