• হোম > দেশজুড়ে > প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর ঘিরে সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা নগরীতে

প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর ঘিরে সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা নগরীতে

  • মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১৪:২৫
  • ৩২

---

ইবি রিপোর্ট

প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর উপলক্ষে নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের সড়কে নির্মিত আলোকসজ্জিত গোলচত্বর। পদ্মফুলের নকশা, বর্ণিল আলো ও নান্দনিক স্থাপত্যে সাজানো এই স্থাপনা নগরীর সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তির প্রতীক হিসেবে নজর কেড়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে নির্মিত গোলচত্বরটিতে পদ্মফুলের নকশাকে বিশেষভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। দিনের আলোয় এর স্থাপত্যশৈলী যেমন দৃষ্টি আকর্ষণ করে, তেমনি রাতে বর্ণিল আলোকসজ্জায় এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গোলচত্বরটির নকশায় পদ্মফুলের প্রতীকী সৌন্দর্যের সঙ্গে বৌদ্ধ দর্শনের মৈত্রী, করুণা, অহিংসা ও শান্তির আদর্শকে তুলে ধরা হয়েছে। ফলে এটি কেবল নগরীর সৌন্দর্যবর্ধনের একটি স্থাপনা নয়, বরং চট্টগ্রামের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের ঐতিহ্য প্রকাশেরও একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

চসিকের এ উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানকে নান্দনিকভাবে সাজানোর পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক নগর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা প্রতিফলিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সৌন্দর্যবর্ধনে এ ধরনের উদ্যোগ চট্টগ্রামকে আরও আকর্ষণীয় ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।

ধর্মীয় সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ চট্টগ্রামে নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন নগরবাসী। তাদের প্রত্যাশা, নগরীর বিভিন্ন স্থানে পরিকল্পিত সৌন্দর্যবর্ধন চট্টগ্রামের নান্দনিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপনের বিষয়টি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার সঙ্গে জড়িত। সাংঘিক বিহারের রূপকার অধ্যাপক ড. জিনবোধি মহাথেরের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন ছিল বৌদ্ধ বিহারের সামনের গোলচত্বরে পদ্মফুল স্থাপন করা। একই দাবি ছিল সাধারণ বৌদ্ধ নর-নারীরও।

অবশেষে চসিকের উদ্যোগে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়িত হয়েছে। এ কারণে চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের পক্ষ থেকে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে।

এদিকে, নন্দনকানন বৌদ্ধ মন্দিরের সামনের গোলচত্বরের পাশাপাশি চট্টগ্রামের বিভিন্ন গোলচত্বরও নতুন রূপে সাজানো হয়েছে। এসব উদ্যোগের মধ্য দিয়ে নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং আধুনিক নগর গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/20035 ,   Print Date & Time: Tuesday, 20 October 2026, 10:57:53 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh