![]()
বাসস
আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অসহায় বিচারপ্রার্থীদের আইনি সেবা নিশ্চিত করতে সরকারি খরচে পরিচালিত কার্যক্রমের আওতায় এ পর্যন্ত ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ জন আইনগত সহায়তা পেয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৬ জন কারাবন্দি রয়েছেন।
বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকারি খরচে সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে আইনি সহায়তা পেয়েছেন ৩১ হাজার ৪০৯ জন। এ ছাড়া দেশের ৬৪ জেলার লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে এ সেবা পেয়েছেন ১৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬১৭ জন।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেলের মাধ্যমেও আইনি সেবা দেওয়া হচ্ছে। এ দুই সেলের মাধ্যমে সরকারি খরচে সহায়তা পেয়েছেন ৩০ হাজার ৬৫৮ জন। অন্যদিকে, সরকারি আইনি সহায়তা পেতে জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারেও যোগাযোগ করেছেন অনেকে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, টোল ফ্রি ১৬৬৯৯ নম্বরের জাতীয় হেল্পলাইন কল সেন্টারের মাধ্যমে আইনি সহায়তা পেয়েছেন ২ লাখ ৭৪ হাজার ৭৯ জন। পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ফেসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে আইনি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ৪৫৭ জনকে।
বিভিন্ন দপ্তর, হেল্পলাইন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেওয়া এসব সেবা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আইনগত সহায়তা পাওয়া উপকারভোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ জনে। এ কার্যক্রমের আওতায় কারাবন্দিদের পাশাপাশি আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অসহায় বিচারপ্রার্থীরাও বিনা খরচে আইনি সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
আর্থিক সামর্থ্যের অভাবে যেন কোনো বিচারপ্রার্থী আইনি সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই আইনগত সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে ‘আইনগত সহায়তা প্রদান আইন’। এই আইনের অধীনে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা অসচ্ছল ও অসহায় বিচারপ্রার্থীদের বিনা খরচে আইনি সেবা দিয়ে থাকে।
জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অধীন একটি সরকারি নিয়ন্ত্রিত সেবা সংস্থা। সংস্থাটির কার্যক্রমের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট, জেলা পর্যায়ের লিগ্যাল এইড অফিস, শ্রমিক আইনগত সহায়তা সেল, জাতীয় হেল্পলাইন এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে আইনি সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন মাধ্যমে সেবা পাওয়া উপকারভোগীদের মোট সংখ্যা ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৬২০ জন। এর মধ্যে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা পাওয়া কারাবন্দির সংখ্যা ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭৩৬ জন।