• হোম > জাতীয় | দেশজুড়ে > পোশাক কারখানায় শ্রমিকের মৃত্যু, মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে উত্তেজনা

পোশাক কারখানায় শ্রমিকের মৃত্যু, মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে উত্তেজনা

  • শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩:৩৮
  • ১৪

---

ইবি রিপোর্ট

সাভারের আশুলিয়ায় ডেকো গ্রুপের আগামী ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার এক নারী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সুমি আক্তার (২৭) নামের ওই শ্রমিককে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে তাঁর স্বজনদের সঙ্গে কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরোধ ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। সুমি আক্তার নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খোকড়াহাট এলাকার বজলুর মিয়ার মেয়ে। তিনি স্বামী সাজ্জাদ হোসেন ও দুই ছেলেকে নিয়ে আশুলিয়ার কাঠগড়া নয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। আগামী ফ্যাশন লিমিটেডে সুইং অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।

সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার বিকেলে কারখানার ভেতরে কাজ করার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন সুমি। পরে তাঁকে আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুমির স্বামী সাজ্জাদ হোসেন জানান, এক সহকর্মীর ফোনে স্ত্রীর অসুস্থতার খবর পেয়ে তিনি কারখানার গেটে যান। তবে প্রথমে তাঁকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরে ভেতরে গিয়ে স্ত্রীকে অক্সিজেন দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় কয়েকজন তাঁর হাত-পা চেপে ধরে ছিলেন বলেও দাবি করেন সাজ্জাদ।

তিনি জানান, বিকেল ৫টার দিকে গাড়িতে করে সুমিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাঁর দাবি, এর আগে তাঁর স্ত্রী অসুস্থ ছিলেন না।

মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে বিরোধ

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই সুমির মৃত্যু হয়েছিল। বিষয়টি স্বজনদের না জানিয়ে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এ নিয়ে হাসপাতালে কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের বিরোধ বাধে।

আগামী ফ্যাশন লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সুমন জানান, মরদেহ হস্তান্তর নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে নিহতের স্বজন ও সহকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তাঁরা কারখানার এক কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধার করে। পরে সুমি আক্তারের মরদেহ থানায় নেওয়া হয়।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/19771 ,   Print Date & Time: Saturday, 17 October 2026, 09:16:39 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh