• হোম > অর্থনীতি | জাতীয় | বাংলাদেশ > বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহযোগিতা করবে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সহযোগিতা করবে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ

  • বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৯
  • ২১

---

ইবি রিপোর্ট

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং চলমান সংকট মোকাবিলায় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ। আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে এ সহযোগিতা পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়তা আসতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তাঁর ভাষ্য, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ), বিশ্বব্যাংক ও মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তারা বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির পরিস্থিতি সম্পর্কে একমত হয়েছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল। বৈঠক শেষে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

তিনি বলেন, ‘আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, ইউএস ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টসহ সবাই একমত হয়েছে যে বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি বর্তমান সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে।’

তিতুমীর আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করছে, বর্তমান সরকার এসব সমস্যা সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস দিচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। তারা এটাও বলছে যে বর্তমান সরকার সমস্যাগুলো সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ইউএস ট্রেজারী ডিপার্টমেন্টসহ সবাই বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আশ্বাস দিচ্ছে। আগামী দুই তিন মাসের মধ্যে বাংলাদেশ সহযোগিতাগুলো পাওয়ার নিশ্চয়তা আসবে।’

বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে। উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও চলমান সংকটের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবও আলোচনায় এসেছে। এসব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতা পাওয়ার প্রত্যাশা করছে সরকার। আগামী দুই-তিন মাসের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন তিতুমীর।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/19532 ,   Print Date & Time: Wednesday, 14 October 2026, 11:22:10 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh