• হোম > জাতীয় | বাংলাদেশ > প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা দেয়: প্রেসিডেন্ট

প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা দেয়: প্রেসিডেন্ট

  • বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৫০
  • ২৯

---

 

ইবি রিপোর্ট

রাজনীতিতে ভিন্নমত, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে গণতান্ত্রিক চর্চার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশের পথে বাধা তৈরি করে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও তা শান্তিপূর্ণ ও গঠনমূলকভাবে প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বুধবার বঙ্গভবনে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রেসিডেন্ট এসব কথা বলেন।

প্রেসিডেন্টের প্রেস উইং জানিয়েছে, সাক্ষাতের সময় হাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকারি বরাদ্দসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

উপাচার্য জানান, বর্তমানে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ৬০০ কোটি টাকার সরকারি বরাদ্দের বিষয়টিও প্রেসিডেন্টকে জানানো হয়।

সাক্ষাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথাও তুলে ধরেন উপাচার্য। শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি ছাত্রীদের আবাসন সংকট সমাধানে প্রেসিডেন্টের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

প্রতিনিধিদলের বক্তব্য শোনার পর এসব সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তুলনামূলক পিছিয়ে থাকা দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার বিস্তারে হাবিপ্রবিকে শিক্ষার মান ধরে রাখার আহ্বান জানান তিনি।

প্রেসিডেন্ট বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের মূল সৌন্দর্য। তবে প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্রের বিকাশকে ব্যাহত করে। এ ধরনের রাজনৈতিক চর্চার পরিবর্তে মতের ভিন্নতাকে গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রকাশের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

এ সময় হাবিপ্রবির আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য প্রেসিডেন্টকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এনামুল্লাহ। প্রেসিডেন্ট আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে প্রেসিডেন্টের সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার ও রেজিস্ট্রারও সাক্ষাতে অংশ নেন।

সাক্ষাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক নিয়োগ এবং ছাত্রীদের আবাসন সংকটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি দেশের উত্তরাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা এবং শিক্ষার মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন প্রেসিডেন্ট।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/19076 ,   Print Date & Time: Wednesday, 7 October 2026, 12:09:25 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh