![]()
ইবি রিপোর্ট
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য নয়াদিল্লি সফর নিয়ে আলোচনা থাকলেও অদূর ভবিষ্যতে এ সফর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। দুই দেশের ব্যস্ত কূটনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি সফরের বিভিন্ন বিষয় এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় শিগগিরই তারেকের ভারত সফর হচ্ছে না বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, অক্টোবর মাসে তারেক রহমানের জাপান সফরের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর নভেম্বর মাসে তার তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের কর্মসূচি থাকতে পারে। ফলে এসব সফরের সময়সূচির মধ্যেও নয়াদিল্লি সফরের জন্য সময় নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও সামনে রয়েছে ব্যস্ত আন্তর্জাতিক কর্মসূচি। আগামী ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর তার ফিলিপাইন সফরের কথা রয়েছে। সেখানে তিনি আসিয়ান সম্মেলনে অংশ নেবেন। এরপর ডিসেম্বর মাসে মোদির যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও বেলজিয়াম সফরের সম্ভাবনা রয়েছে।
তারেক রহমানকে ভারত ইতোমধ্যে দুটি পৃথক সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। এর একটি দ্বিপাক্ষিক সফরের জন্য। অন্যটি বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে।
তবে বাংলাদেশ সরকার গত মাসে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেয়নি। পাশাপাশি তারেক রহমানের দ্বিপাক্ষিক ভারত সফরের তারিখও এখনো ঢাকা ও নয়াদিল্লি চূড়ান্ত করতে পারেনি।
ফলে আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও কবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নয়াদিল্লি সফর করবেন, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সময়সূচি পাওয়া যায়নি।
এদিকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে আলোচনার উদ্যোগও এখনো পুরোপুরি এগোয়নি। নয়াদিল্লিতে যৌথ ‘ওয়ার্কিং গ্রুপ অন ট্রেড’-এর বৈঠক আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। এর পর দুই দেশের বাণিজ্যসচিবদের বৈঠক আয়োজনেরও পরিকল্পনা ছিল।
তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, ভারত ঢাকাকে জানিয়েছে—ট্রানজিট ও সীমান্ত বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করা অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ফোরামের বৈঠক শেষ হওয়ার পর বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করা যেতে পারে।
এদিকে দুই দেশের যৌথ কনস্যুলার বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের তারিখ নিয়েও আলোচনা চলছে। বৈঠকটি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সব মিলিয়ে তারেক রহমানের নয়াদিল্লি সফরের আমন্ত্রণ থাকলেও সফরের সময়সূচি এখনো নির্ধারিত হয়নি। দুই দেশের কূটনৈতিক ব্যস্ততা এবং বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বৈঠকের সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করেই পরবর্তী সময়ে সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।