![]()
ইবি রিপোর্ট
সাবরেজিস্ট্রারদের বদলি ও পদায়ন নিয়ে জনমনে থাকা নেতিবাচক ধারণা কাটাতে নতুন পদ্ধতির যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে সাবরেজিস্ট্রার বদলি কার্যক্রম চালু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে এই কার্যক্রম উদ্বোধনের পর আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, প্রথম ধাপে সারাদেশের ১৩১ জন সাবরেজিস্ট্রারকে বদলি করা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, সাবরেজিস্ট্রার পদে বদলি ও পদায়ন নিয়ে জনগণের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে। রাতারাতি এ পরিস্থিতি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে পরিবর্তনের উদ্যোগ কোনো না কোনো জায়গা থেকে শুরু করতে হবে। তার ভাষায়, সেই কাজ আজ থেকেই শুরু হলো।
ঢাকায় পদায়নকে ‘প্রাইস পোস্টিং’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় বলেও উল্লেখ করেন মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, সাধারণভাবে ধারণা করা হয়, ঢাকায় যাদের পোস্টিং দেওয়া হয়, তারাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এবার সেই ‘প্রাইস পোস্টিং’-এর ক্ষেত্রেই প্রথমবারের মতো লটারির মাধ্যমে বাছাই করা হচ্ছে।
আইনমন্ত্রী জানান, ঢাকার ১৮টি সাবরেজিস্ট্রি অফিসের জন্য সারাদেশের ১৩১ জনের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১৮ জনকে বাছাই করা হয়েছে। পরে তাদের দক্ষতা বিবেচনা করে গুরুত্বপূর্ণ সাবরেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে পদায়ন করা হবে।
অর্থাৎ, ঢাকার ১৮টি সাবরেজিস্ট্রি অফিসের জন্য নির্ধারিত ১৮ জন কর্মকর্তা লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত হয়েছেন। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বদলি-পদায়নের ক্ষেত্রে নতুন একটি পদ্ধতির সূচনা হলো। আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের নেতিবাচক ধারণা পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বদলির পর নতুন কর্মস্থলে গিয়ে কেউ দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়লে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, বদলিকৃত স্থানে যোগ দেওয়ার পর কোনো কর্মকর্তা যদি দুর্নীতি শুরু করেন, তাহলে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে, একজন সাবরেজিস্ট্রারের কাছ থেকে সাংবাদিকের টাকা নেওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও মন্ত্রণালয় খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছেন মো. আসাদুজ্জামান। অভিযোগটি নিয়ে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সাবরেজিস্ট্রারদের বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে লটারির এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১৩১ জনের মধ্য থেকে ঢাকার ১৮টি অফিসের জন্য ১৮ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের দক্ষতা বিবেচনার পর গুরুত্বপূর্ণ সাবরেজিস্ট্রি অফিসে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
আইনমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বদলি-পদায়ন নিয়ে মানুষের মধ্যে যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, তা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া একদিনে সম্ভব নয়। তবে সেই পরিবর্তনের সূচনা লটারির মাধ্যমে করা হলো। একই সঙ্গে নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের সময় কেউ দুর্নীতিতে জড়ালে তাকে সরিয়ে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।