![]()
ইবি রিপোর্ট
শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎকে সামনে রেখে শিশু অধিকার দিবস এবং বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিশুদের অংশগ্রহণে সাজানো এ আয়োজনে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্মারক উপহার প্রদান, স্মরণিকা প্রকাশ এবং দেশের বিভিন্ন এলাকার শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি যোগাযোগের কর্মসূচি রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ জন শিশু প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। জাতীয় সংগীত শেষে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে নির্ধারিত আসনে বসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত রয়েছেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
শিশু অধিকার দিবস এবং শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিশুদের জন্য রাখা হয়েছে নানা আয়োজন। শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে শিশুদের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেওয়ার কর্মসূচিও রয়েছে।
অনুষ্ঠানের আরেকটি আয়োজন হিসেবে স্মরণিকা ‘শৈশব’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা শিশুদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিশুদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকার শিশুদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে।
এ ছাড়া বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী এবং ফটো গ্যালারি পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। শিশুদের সৃজনশীল কাজ ও তাদের অংশগ্রহণের বিভিন্ন আয়োজন ঘুরে দেখবেন তিনি।
অনুষ্ঠানের নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী শিশু জাদুঘর ভবনে যাবেন। সেখানে ভবনের নিচতলায় স্থাপিত সোলার প্যানেল ও সাব-স্টেশন উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
শিশু অধিকার দিবস ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তির এবারের আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’। এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখেই শিশুদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন সাজানো হয়েছে।