
ইবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের যেসব এলাকায় অ্যামাজনের ডেটা সেন্টার রয়েছে, সেসব অঞ্চলের উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। আগামী পাঁচ বছরে এসব এলাকায় ১০০ কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করবে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (এডব্লিউএস)।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে গতকাল জানানো হয়েছে, নতুন এই অর্থ স্থানীয় শিক্ষা, কর্মদক্ষতা প্রশিক্ষণ, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ এবং পানি ও জ্বালানি সংরক্ষণে ব্যবহার করা হবে। ডেটা সেন্টার পরিচালনার কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার বাড়ায় যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা মোকাবেলাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
অ্যামাজনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টার খাতে প্রতিষ্ঠানটি ২৭ হাজার ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। প্রযুক্তি অবকাঠামোর বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ডেটা সেন্টার পরিচালনায় বিদ্যুৎ ও পানির চাহিদাও বাড়ছে।
নতুন বিনিয়োগের আওতায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ ব্যবস্থার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। একই সঙ্গে পানি ও জ্বালানি সংরক্ষণে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
ডেটা সেন্টারের জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবেশগত চাপ কমানোর লক্ষ্যও জানিয়েছে অ্যামাজন। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ডেটা সেন্টারগুলোয় যত পানি ব্যবহার করা হবে, তার চেয়ে বেশি পানি পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তাদের।
ডেটা সেন্টারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন সময়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে এসব অঞ্চলের অবকাঠামো ও মানুষের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি পানি ও জ্বালানি সংরক্ষণে কাজ করতে চায় অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস।
প্রযুক্তি খাতে অ্যামাজনের বিনিয়োগের বড় একটি অংশ ডেটা সেন্টার অবকাঠামোকে ঘিরে। ২০১১-২৫ সময়ে এ খাতে ২৭ হাজার ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের তথ্য প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের নতুন বিনিয়োগ স্থানীয় উন্নয়ন ও সম্পদ সংরক্ষণে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
২০৩০ সালের মধ্যে পানি ব্যবহারের তুলনায় বেশি পানি পরিবেশে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যও প্রতিষ্ঠানটির পরিবেশগত পরিকল্পনার অংশ। এর মাধ্যমে ডেটা সেন্টার পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পানি ব্যবহারের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হবে।
সূত্র: রয়টার্স