• হোম > অর্থনীতি > আন্তর্জাতিক বাজারে এক মাসে স্বর্ণের দাম কমেছে ৬.৬ শতাংশ

আন্তর্জাতিক বাজারে এক মাসে স্বর্ণের দাম কমেছে ৬.৬ শতাংশ

  • বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:১৭
  • ১১

---

ইবি রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক বাজারে সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে স্বর্ণের দামে পতন দেখা গেছে। এক মাসের ব্যবধানে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম কমেছে ৬.৬ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রত্যাশার চেয়ে কম আসায় বুধবার স্বর্ণের দাম কিছুটা বাড়লেও পরে সেই অবস্থান ধরে রাখতে পারেনি। জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা বাজারে স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি করেছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৪০ মিনিটের দিকে স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৫২ দশমিক ৮৬ ডলারে নেমে আসে। তবে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার ০.২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৬ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন শেষ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে আগস্টের পার্সনাল কনসামশন এক্সপেনডিচারস মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় ০.৩ শতাংশ বেড়েছে। মূল্যস্ফীতির এই তথ্য প্রকাশের পর অক্টোবরে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন সম্ভাবনা কিছুটা কমেছে।

সিএমই-এর ফেডওয়াচটুলের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা এখন প্রায় ৩৯ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে এই সম্ভাবনা ছিল প্রায় ৪৫ শতাংশ।

সাধারণত সুদের হার কমার প্রত্যাশা তৈরি হলে স্বর্ণের চাহিদা বাড়তে দেখা যায়। কারণ স্বর্ণ থেকে কোনো সুদ পাওয়া যায় না। ফলে সুদের হার কমলে সুদনির্ভর সম্পদের তুলনায় স্বর্ণ তুলনামূলক আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় তেলের দামও বেড়েছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় জ্বালানির দাম বেশি থাকলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ফেডারেল রিজার্ভকে আরও কঠোর অবস্থান নিতে হতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বাজারে।

স্বাধীন ধাতু ব্যবসায়ী তাই ওয়ং বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার পাশাপাশি বন্ডের আগের লাভ কমে যাওয়ায় ধাতুর বাজার আবার চাপের মুখে পড়েছে। তার মতে, অক্টোবরের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা কমলেও স্বর্ণের জন্য দিনটি ছিল হতাশাজনক।

সেপ্টেম্বরে শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। রুপার দাম ২.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে প্ল্যাটিনামের দাম কমেছে ০.৪ শতাংশ এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৫ শতাংশ।

তবে মাসিক দরপতন হলেও স্বর্ণ, রুপা ও প্ল্যাটিনাম—এই তিন মূল্যবান ধাতুই চলতি প্রান্তিকে সামগ্রিকভাবে দাম বাড়ার পথে রয়েছে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/18716 ,   Print Date & Time: Thursday, 1 October 2026, 11:03:29 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh