• হোম > দেশজুড়ে > মৌলভীবাজারে নাঈম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৫

মৌলভীবাজারে নাঈম হত্যা মামলায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড, খালাস ৫

  • বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৫০
  • ১০

---

 

ইবি রিপোর্ট

মৌলভীবাজারে আলোচিত কলেজছাত্র রেজাউল করিম নাঈম হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ রবিউল আউয়াল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—নুরুল ইসলাম, সায়মন ইসলাম, নাহিদুল ইসলাম রনি ও আনোয়ার হোসেন। তাদের মধ্যে নুরুল ইসলাম ও সায়মন ইসলাম রায় ঘোষণার সময় কারাগারে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে রনি ও আনোয়ার হোসেন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর ফেসবুকে ছবি পোস্ট করাকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজারের বর্ষিজোড়া এলাকায় কলেজছাত্র রেজাউল করিম নাঈমের সঙ্গে আসামি নাহিদুল ইসলাম রনির কথা-কাটাকাটি হয়।

ওই বিরোধের জের ধরে পরবর্তী সময়ে রনি, তার বাবা নুরুল ইসলামসহ কয়েকজন নাঈমকে ডেকে বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় নাঈমকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পথেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর নিহত নাঈমের বাবা চেরাগ মিয়া বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে মৌলভীবাজার মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে বুধবার মামলাটির রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামির মধ্যে দুজন কারাগারে থাকলেও অপর দুজন পলাতক রয়েছেন। ফলে পলাতক দুই আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার।

আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত কলেজছাত্র নাঈমের বাবা চেরাগ মিয়া। তিনি বলেন, তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন।

নাঈমের বাবা সরকারের কাছে মৃত্যুদণ্ডের রায় দ্রুত কার্যকর করার পাশাপাশি পলাতক দুই আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ড. আব্দুল মতিন চৌধুরী বলেন, চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার রায় তিন বছরেরও কম সময়ে হওয়ায় বিচারপ্রার্থী পরিবার সন্তুষ্ট।

তার মতে, এই রায়ের মধ্য দিয়ে অপরাধীদের কাছে কঠোর বার্তা গেছে এবং আদালতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

নাঈম হত্যা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে নিহতের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার ও আদালতের দেওয়া সাজা দ্রুত কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/18604 ,   Print Date & Time: Wednesday, 30 September 2026, 12:31:00 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh