• হোম > জাতীয় | দেশজুড়ে > ই-ক্যাবের নির্বাচন ও আপিল বোর্ড পুনর্গঠন

ই-ক্যাবের নির্বাচন ও আপিল বোর্ড পুনর্গঠন

  • বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৪৩
  • ১৭

---

ইবি রিপোর্ট

ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)-এর ২০২৫–২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য নতুন করে নির্বাচন বোর্ড ও নির্বাচন আপিল বোর্ড পুনর্গঠন করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ট্রেড সাপোর্ট মেজরস উইং থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। 

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, রিট পিটিশন নম্বর ১১৬০০/২০২৫-এ বর্ণিত রেসপনডেন্ট নম্বর ৩-এর ওপর অর্পিত ক্ষমতা এবং বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ধারা ১৮(২)(খ)-এ বর্ণিত ক্ষমতাবলে ই-ক্যাবের ২০২৫–২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে নির্বাচন বোর্ড এবং নির্বাচন আপিল বোর্ড পুনর্গঠন করা হয়েছে।

নতুন নির্বাচন বোর্ডে তিনজন কর্মকর্তাকে রাখা হয়েছে। এর চেয়ারম্যান করা হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও শাখা-৫-এর উপসচিব শরীফ মোস্তাফিজুর রহমানকে। বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন পরিকল্পনা-১ শাখার উপসচিব ফিরোজ আল মামুন এবং এফটিএ-৪-এর উপনিয়ন্ত্রক মো. সিরাজুল ইসলাম।

এই বোর্ডের দায়িত্ব হবে ই-ক্যাবের ২০২৫–২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা করা। নির্বাচনী কার্যক্রম যাতে নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হয়, সে জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এ বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

এদিকে নির্বাচন-সংক্রান্ত আপিল নিষ্পত্তির জন্য পৃথক তিন সদস্যের নির্বাচন আপিল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে। এ বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে টিডিএসএম অধিশাখার যুগ্মসচিব সুফিয়া আক্তার রুমীকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন প্রশাসন-২ অধিশাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ দেলাওয়ার হোসেন এবং টিডিএসএম-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহবুবুর রহমান।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচন বোর্ড ও নির্বাচন আপিল বোর্ড পুনর্গঠনের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দপ্তরগুলোকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এ জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা, ই-ক্যাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে অফিস আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা আদেশে আরও দেখা যায়, নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন শাখায় কর্মরত। একইভাবে নির্বাচন আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যদেরও মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শাখা থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে নির্বাচন পরিচালনা ও নির্বাচন-সংক্রান্ত আপিলের জন্য পৃথক দুটি কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।

ই-ক্যাব দেশের ই-কমার্স খাতের ব্যবসায়ীদের একটি সংগঠন। সংগঠনটির কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচন সদস্যদের প্রতিনিধিত্ব নির্ধারণের একটি প্রক্রিয়া। সেই নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নির্বাচন বোর্ড এবং কোনো নির্বাচনী বিষয়ে আপিলের সুযোগ থাকলে তা নিষ্পত্তির জন্য আপিল বোর্ড রাখা হয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বোর্ডগুলোর দায়িত্বের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ই-ক্যাবের ২০২৫–২০২৭ মেয়াদের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নতুন নির্বাচন বোর্ড ও আপিল বোর্ড নির্ধারণ করা হলো।

অফিস আদেশে স্বাক্ষর করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব ও প্রশাসক, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) ড. সাইফ উদ্দিন আহমেদ। আদেশে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ই-ক্যাবের ২০২৬ সালের নির্বাচন কীভাবে হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংগঠনের সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, সহসভাপতি এবং পরিচালক বা নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচনে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও গোপন ভোটের বিধান রয়েছে। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮(২)-এ এ বিষয়ে সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে ই-ক্যাবের পরবর্তী নির্বাচন পরিচালকদের ভোটে সভাপতি নির্বাচনের পরিবর্তে সদস্যদের সরাসরি ভোটে আয়োজন করা হবে কি না—এই প্রশ্নে ২০২৫ সালের নতুন বিধিমালাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে ২০২৫ সালের ১১ হাজার ৬০০ নম্বর রিট মামলায় হাইকোর্ট নতুন নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। রায়ে ৩ নম্বর বিবাদী কেন্দ্রীয় ই-কমার্স সেলের উপসচিব ও ই-ক্যাবের প্রশাসককে আদালতের আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন বোর্ড এবং নির্বাচন আপিল বোর্ড গঠন করে নির্বাচন আয়োজন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ১৮(২)(খ) ধারা অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের ওই নির্দেশের একটি দিক বিশেষভাবে লক্ষণীয়। রায়ে এমন কোনো নির্দেশনা নেই যে আগে পরিচালকদের নির্বাচন করতে হবে এবং পরে নির্বাচিত পরিচালকেরা নিজেদের মধ্য থেকে সভাপতি নির্বাচন করবেন। অর্থাৎ, পরিচালকদের নির্বাচন এবং তাঁদের মধ্য থেকে সভাপতি নির্বাচনের জন্য আলাদা কোনো ধাপ আদালতের আদেশে নির্ধারণ করা হয়নি। বরং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই অবস্থায় ২০২৬ সালের ই-ক্যাব নির্বাচনে সদস্যদের সরাসরি ভোটের বিষয়টি সামনে এসেছে। কারণ, ২০২৫ সালের বিধিমালায় সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, সহসভাপতি ও পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট পদে প্রত্যক্ষ ও গোপন ভোটের কথা বলা হয়েছে। ফলে নতুন বিধিমালার আলোকে সরাসরি ভোটে নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে আইনি ভিত্তি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করছেন।

তবে নির্বাচন বোর্ড কীভাবে ভোটের কাঠামো নির্ধারণ করবে, তা নির্ভর করবে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২, বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫ এবং হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের সংশ্লিষ্ট বিধান কীভাবে প্রয়োগ করা হয় তার ওপর। তাই ই-ক্যাবের নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আইন ও বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো সমন্বিতভাবে পর্যালোচনা করাই হবে মূল বিষয়।

ই-ক্যাবের ২০২৬ সালের নির্বাচন কীভাবে হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন করে আলোচনা। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা পর্যালোচনায় দেখা যায়, সংগঠনের সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, সহসভাপতি এবং পরিচালক বা নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচনে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ও গোপন ভোটের বিধান রয়েছে। বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮(২)-এ এ বিষয়ে সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে ই-ক্যাবের পরবর্তী নির্বাচন পরিচালকদের ভোটে সভাপতি নির্বাচনের পরিবর্তে সদস্যদের সরাসরি ভোটে আয়োজন করা হবে কি না—এই প্রশ্নে ২০২৫ সালের নতুন বিধিমালাটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এদিকে ২০২৫ সালের ১১ হাজার ৬০০ নম্বর রিট মামলায় হাইকোর্ট নতুন নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। রায়ে ৩ নম্বর বিবাদী কেন্দ্রীয় ই-কমার্স সেলের উপসচিব ও ই-ক্যাবের প্রশাসককে আদালতের আদেশ পাওয়ার তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন বোর্ড এবং নির্বাচন আপিল বোর্ড গঠন করে নির্বাচন আয়োজন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২-এর ১৮(২)(খ) ধারা অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালতের ওই নির্দেশের একটি দিক বিশেষভাবে লক্ষণীয়। রায়ে এমন কোনো নির্দেশনা নেই যে আগে পরিচালকদের নির্বাচন করতে হবে এবং পরে নির্বাচিত পরিচালকেরা নিজেদের মধ্য থেকে সভাপতি নির্বাচন করবেন। অর্থাৎ, পরিচালকদের নির্বাচন এবং তাঁদের মধ্য থেকে সভাপতি নির্বাচনের জন্য আলাদা কোনো ধাপ আদালতের আদেশে নির্ধারণ করা হয়নি। বরং সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই অবস্থায় ২০২৬ সালের ই-ক্যাব নির্বাচনে সদস্যদের সরাসরি ভোটের বিষয়টি সামনে এসেছে। কারণ, ২০২৫ সালের বিধিমালায় সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, সহসভাপতি ও পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট পদে প্রত্যক্ষ ও গোপন ভোটের কথা বলা হয়েছে। ফলে নতুন বিধিমালার আলোকে সরাসরি ভোটে নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে আইনি ভিত্তি রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের একাংশ মনে করছেন।

তবে নির্বাচন বোর্ড কীভাবে ভোটের কাঠামো নির্ধারণ করবে, তা নির্ভর করবে বাণিজ্য সংগঠন আইন, ২০২২, বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫ এবং হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ের সংশ্লিষ্ট বিধান কীভাবে প্রয়োগ করা হয় তার ওপর। তাই ই-ক্যাবের নির্বাচন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে আইন ও বিধিমালার সংশ্লিষ্ট ধারাগুলো সমন্বিতভাবে পর্যালোচনা করাই হবে মূল বিষয়।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/17923 ,   Print Date & Time: Wednesday, 23 September 2026, 12:41:15 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh