• হোম > জাতীয় | দেশজুড়ে | মতামত > জ্বালানির দাম বাড়ানোর খেসারত দেবে কে

জ্বালানির দাম বাড়ানোর খেসারত দেবে কে

  • মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৪৪
  • ১৮

---

আহমেদ তোফায়েল

অর্থনীতির জটিল সমীকরণে জ্বালানি তেল কেবল একটি সাধারণ পণ্যমাত্র নয়; এটি আধুনিক উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ চক্র ও কৃষি সেচের প্রাণরস। যখন এই প্রাণরসের মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়, তখন তার প্রতিক্রিয়া বহুমুখী ও তরঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ে গোটা সামষ্টিক অর্থনীতিতে।

গত রোববার রাতে ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করার পর থেকেই সেই তরঙ্গের ধাক্কা অনুভূত হতে শুরু করেছে জনজীবনে। এরই মধ্যে গাবতলী বাস টার্মিনালে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়েছে। কুষ্টিয়ার চালকলমালিকের পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির খবর আসছে। এটি একটি বৃহত্তর সামষ্টিক চাপের দৃশ্যমান উপসর্গ। 

মূল্যস্ফীতির চড়া পালে নতুন হাওয়া লাগায় গরিব, নিম্ন ও স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনযাত্রার ন্যূনতম স্বস্তিটুকু আরও সংকুচিত হয়ে পড়েছে। তবে এই পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, আমদানি ব্যয় এবং কাঠামোগত ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী দুর্বলতা। প্রশ্ন হলো, এই সংকট কেবল মূল্যবৃদ্ধির দাওয়াইতে সারবে, নাকি প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী নীতি কাঠামোর পুনর্বিন্যাস?

জ্বালানি অর্থনীতির বাস্তবতা

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল আমদানিতে খরচ হচ্ছে ২০৫ টাকা এবং দাম বাড়ানোর পরও প্রতি লিটারে ৭০ টাকা লোকসান গুণতে হচ্ছে বিপিসিকে। মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার অজুহাতে এই মূল্য সমন্বয়কে সরকার ‘অনিবার্য’ বলে অভিহিত করেছে। যদিও বিশ্ববাজারের ফিউচার মার্কেটে তেলের দামে কিছুটা নমনীয়তা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ইঙ্গিত মিলেছে—যেখানে শনিবার ইরান-সমর্থিত হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরও সৌদি আরব সরবরাহ বজায় রাখার প্রবণতা দেখিয়েছে এবং নভেম্বর মাসের ফিউচার দর ২ দশমিক ১১ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৮ ডলারে নেমেছে—তবুও স্থানীয় বাজারে তার তাৎক্ষণিক স্বস্তি মেলেনি। স্পট মার্কেট ও ফিউচার মার্কেটের কেনাবেচার ফারাকের কারণে আমদানিতে যে সময়গত ও মূল্যগত ব্যবধান তৈরি হয়, তা সামলানো চ্যালেঞ্জিং।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারের দোহাই দেওয়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শুল্ক কাঠামোর বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) পরিশোধিত তেলে ২৫ শতাংশ ও অপরিশোধিত তেলে সাড়ে ২৭ শতাংশ শুল্ক-কর নেয়। ২০১৪ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় জনস্বার্থে ট্যারিফ ভ্যালু ধরে শুল্ক হিসাব করার আদেশ জারি করেছিল যাতে বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও শুল্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। অথচ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গত বছরের জুন থেকে আমদানি মূল্যের ওপর শুল্ক নির্ধারণ শুরু হওয়ায় বিপিসির ওপর শুল্কের চাপ বেড়েছে, যার পরিণতিতে বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেলে সরকার ৩৮-৩৯ টাকারও বেশি শুল্ক-কর পাচ্ছে। করের এই উচ্চহার পুনর্বিবেচনা করা হলে ভোক্তার ওপর চাপ কিছুটা কমানো সম্ভব ছিল কি না, সেই প্রশ্নটি অর্থনীতিবিদদের কাছ থেকে জোরালোভাবে উঠছে।

পরিবহন খাতের নৈরাজ্য ও ভাড়ার নতুন হিসাব

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পরদিন থেকেই রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী ও ফুলবাড়িয়াসহ বিভিন্ন টার্মিনালে দূরত্বভেদে ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়তি ভাড়া আদায় শুরু হয়। অথচ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) দূরপাল্লা, রাজধানীসহ শহরের বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ১৭ পয়সা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাত্ত্বিক হিসাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের আড়াই শ কিলোমিটার দূরুত্বে ৫২ আসনের বাসে ভাড়া বাড়ার কথা ৪০ টাকার কিছু বেশি। কিন্তু মাঠের বাস্তবতায় তার কোনো প্রতিফলন নেই। এসি বাস এবং পণ্যবাহী ট্রাক বা কাভার্ড ভ্যানের ভাড়া সরকার নিয়ন্ত্রণ করে না, ফলে সেখানে মালিক-শ্রমিকেরা খেয়ালখুশি মতো ভাড়া বাড়াচ্ছেন।

খাতুনগঞ্জের আদা-রসুনের আড়তে কুষ্টিয়া থেকে পণ্য আনতে যেখানে আগে ৩২ হাজার টাকা লাগত, এখন সেখানে ৪০ হাজার টাকা ভাড়া চাওয়া হচ্ছে—অর্থাৎ ৮ হাজার টাকা বাড়তি খরচ। বেনাপোল থেকে সাড়ে ১০ টনের কাভার্ড ভ্যানে গার্মেন্টস পণ্য ঢাকায় নিতে ভাড়া ১৮-১৯ হাজার থেকে বেড়ে ২২ হাজার টাকা হয়েছে। কুষ্টিয়ায় ২৬৫ বস্তা চাল পাঠানোর ট্রাকভাড়া ২০ হাজার থেকে বেড়ে ২২ হাজার টাকা হওয়ার প্রভাব সরাসরি চালের বাজারে পড়বে। অতীতে দেখা গেছে, জ্বালানি মূল্য কমালেও ভাড়া কমার সংস্কৃতি আমাদের দেশে গড়ে ওঠেনি, যা নীতি বাস্তবায়নের দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতাকেই স্পষ্ট করে।

কৃষি ও সেচ খাত: খাদ্যনিরাপত্তার নীরব সংকট

দেশের অর্থনীতিতে ডিজেলের ভূমিকা বহুমুখী। ১৩ থেকে ১৫ লাখ ডিজেলচালিত সেচযন্ত্রের মাধ্যমে দেশের কৃষির একটি বড় অংশ সেচসুবিধা পায়। ডিজেলে ১৫ শতাংশ চাহিদা থাকলেও জেনারেটর ও অন্যান্য কৃষি যন্ত্রপাতি চালানোর খরচ বাড়ায় সামগ্রিক উৎপাদন ব্যয় ঊর্ধ্বমুখী। সেচ খরচ বাড়লে কৃষকের উৎপাদনশীলতা ব্যাহত হয়, যার শেষ পরিণতি খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রায়হানের মতে, ডিজেলনির্ভর সেচব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল কৃষক পরিবার ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। চাল, সবজি ও রান্নার খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের মাসিক বাজেট ওলটপালট হয়ে যায়। ফলে শিল্প উৎপাদন ব্যয়ের পাশাপাশি কৃষির এই অতিরিক্ত খরচ মূল্যস্ফীতিকে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দেয়।

অতীতের পুনরাবৃত্তি ও মূল্যস্ফীতির ইতিহাস

জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে সবচেয়ে বেশি বাড়ানোর নজির তৈরি হয়েছিল ২০২২ সালের আগস্টে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সরকার তখন ডিজেলের দাম সাড়ে ৪২ শতাংশ বা লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছিল, যদিও সমালোচনার মুখে ২৩ দিনের মাথায় ৫ টাকা কমানো হয়। ওই সময় বাস, ট্রাক ও লঞ্চের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯.৫ শতাংশে পৌঁছেছিল।

২০২২ সাল থেকেই দেশে মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশের ওপরে অনড় রয়েছে। এমন ভঙ্গুর সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আবারও লিটারে ২০ টাকা দাম বাড়ানো দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ক্রয়ক্ষমতাকে নতুন খাদে ফেলে দিয়েছে। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে মূল্য সমন্বয়ের বিকল্প পথ অন্বেষণ না করে বারবার একই ত্রুটির পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে।

অপচয় বনাম মূল্যবৃদ্ধি

এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক যথার্থই বলেছেন, জ্বালানির দাম বাড়ানোই সমস্যার একমাত্র সমাধান হতে পারে না। জ্বালানি সরবরাহ ও বিতরণব্যবস্থার অপচয় এবং ‘সিস্টেম লস’ কমানো গেলে ভর্তুকি বা লোকসানের চাপ কমানোর বড় সুযোগ তৈরি হয়। দক্ষতা বা সুশাসন বাড়ানোর তুলনায় দাম বাড়ানো তুলনামূলক সহজ প্রশাসনিক পথ, কিন্তু এর সামাজিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক মূল্য অত্যন্ত চড়া।

অদক্ষতা দূর করার পরিবর্তে সরাসরি মূল্যবৃদ্ধির পথ বেছে নিলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা বাধাগ্রস্ত হয়। বিতরণ ব্যবস্থার দুর্নীতি, পরিমাপের ত্রুটি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ-জ্বালানির সমন্বিত সিস্টেম লস কমিয়ে এনে ভর্তুকির চাপ লাঘব করার যে দীর্ঘমেয়াদী গৃহিণীর কৌশল থাকা উচিত ছিল, নীতিপ্রণেতারা তার চেয়ে সহজ রাজস্ব আদায়ের শর্টকাটে বিশ্বাসী হয়েছেন।

করনীতির মারপ্যাচ ও বিপিসির হিসাব

রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্ব বাড়ানোর তাগিদ এবং জ্বালানি আমদানিতে বিপিসির লোকসান—এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট হচ্ছে সাধারণ ভোক্তা। বর্তমানে যে দরে ডিজেল আমদানি হচ্ছে, তাতে লিটারপ্রতি ৩৮-৩৯ টাকার শুল্ক-কর সরাসরি চলে যাচ্ছে সরকারের ঘরে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, আমদানি মূল্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করার ফলে বিশ্ববাজারের দোহাই দিয়ে যে লোকসানের হিসাব দেওয়া হয়, তার একটি বড় অংশ করের মাধ্যমে সরকার নিজেই তুলে নিচ্ছে। শুল্ক হার সহনশীল পর্যায়ে নামিয়ে এনে বিপিসির দায়ভার লাঘব করা গেলে বাজারদর অনেক নিয়ন্ত্রণে রাখা যেত। জনস্বার্থকে পাশ কাটিয়ে রাজস্ব বাড়ানোর এই নীতি মুদ্রাস্ফীতির আগুন আরও উসকে দিচ্ছে।

শহরের অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিক, ভ্যানচালক, ছোট দোকানদার কিংবা দিনমজুর শ্রেণির মানুষের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বেতন সুরক্ষা নেই। জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে যখন প্রতিটি খাদ্যপণ্যের দাম চড়ে যায়, তখন তাদের আয় একই স্থানে স্থবির থাকে।

ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের এই চক্রে পুষ্টিহীনতা, চিকিৎসা ব্যয়সংকোচন এবং শিশুদের শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার হার বাড়ে। বৈষম্য পরিমাপক গিড কোফিসিয়েন্ট বা আয় বৈষম্যের চিত্র আরও প্রশস্ত হয়। সামষ্টিক প্রতিবেদনে জিডিপি প্রবৃদ্ধির যে ফিরিস্তিই থাকুক না কেন, মাঠের অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারে এই মূল্যবৃদ্ধি এক ধরনের নীরব মানবিক বিপর্যয় ডেকে আনে।

দারিদ্র্য হ্রাসের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় সংস্থার গবেষণা ইতোমধ্যে সতর্ক করেছে যে, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একাংশ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। এই অবস্থায় সরকারের প্রথম করণীয় হওয়া উচিত অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী উন্নয়ন ব্যয় কঠোরভাবে কমানো।

রাষ্ট্রীয় স্তরে ব্যয় সংকোচন দৃশ্যমান না করে সাধারণ মানুষের কাঁধে ঋণের ও জ্বালানির বোঝা চাপিয়ে দিলে সামাজিক অস্থিরতার ঝুঁকি বাড়ে। বাজেট ঘাটতি মেটাতে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং করজালের পরিধি বাড়িয়ে করবহির্ভূত চাপ কমানোর কার্যকর কৌশল সাজাতে হবে।

তবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসতে হলে শুধু প্রশাসনিক আদেশ জারি বা দাম সমন্বয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কাটিয়ে সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা বাস্তবায়ন করতে হবে।

গণপরিবহনে ডিজেলের বদলে বিদ্যুৎচালিত মেট্রো, বাস ও ট্রামের প্রসার ঘটাতে হবে। কৃষিতে সোলার পাম্পের ব্যবহার বাড়াতে পারলে ডিজেলনির্ভর সেচ খরচ শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব। নতুবা প্রতিবার মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট বা বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারের ঝাঁকুনিতে আমাদের অর্থনীতির চাকা থমকে দাঁড়াবে।


সংকট উত্তরণের পথটি সুনির্দিষ্ট কাঠামোগত সংস্কারের মধ্য দিয়েই সম্ভব। প্রথমত, এনবিআরের শুল্কহার যৌক্তিকীকরণ করে আমদানি পর্যায়ে করের চাপ কমাতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিআরটিএর নির্ধারিত ভাড়ার হার কার্যকর করতে কঠোর মনিটরিং সেল গঠন এবং এসি বা মালবাহী যানের ক্ষেত্রে নৈতিক বাজারশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, কৃষি সেচ খাতে সরাসরি ভর্তুকি বা প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে যাতে খাদ্য উৎপাদন ব্যয় সুরক্ষিত থাকে। চতুর্থত, দীর্ঘমেয়াদে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তি এবং বিদ্যুৎচালিত গণপরিবহনে রূপান্তরের রোডম্যাপ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। পরিশেষে, রাষ্ট্রকে ব্যয় সংকোচনের কঠোর নীতি গ্রহণ করে অপচয় রোধের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান করতে হবে। নতুবা মূল্যস্ফীতির এই উচ্চচাপ সামাজিক বৈষম্যকে আরও গভীর খাদের কিনারায় নিয়ে যাবে।

লেখক: বিজনেস এডিটর, দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ।সাবেক কর্মস্থল: দৈনিক যায়যায়দিন, বর্তমান, দেশ রূপান্তর ও  দৈনিক ইত্তেফাক 


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/17852 ,   Print Date & Time: Tuesday, 22 September 2026, 03:30:03 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh