• হোম > অর্থনীতি | জাতীয় | দেশজুড়ে > ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি তুলে ধরেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ

২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি তুলে ধরেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ

  • মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৫৯
  • ১৫

---

ইবি রিপোর্ট

অগ্রগতি প্রসঙ্গে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় সক্ষমতা গড়ে তুলতে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে উন্নত অবকাঠামো, দ্রুত ও কার্যকর সেবা এবং বিনিয়োগযোগ্য সুযোগের শক্তিশালী পাইপলাইনকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। কিছু পরিবর্তন এরই মধ্যে কার্যকর হলেও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে বলে জানান তিনি

১৮০ দিনের বিনিয়োগ পরিকল্পনার মেয়াদ শেষে এর অগ্রগতি প্রকাশ করেছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ। গত ১৬ মার্চ ঘোষিত এ পরিকল্পনায় শক্তিশালী অবকাঠামো, বিনিয়োগ সহায়তা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন—এই তিনটি স্তম্ভের অধীনে কার্যক্রম নেয়া হয়েছিল। হালনাগাদ তথ্যে ১৬টি কর্মধারার মধ্যে ১৪টির আওতায় নেয়া ২০টি উদ্যোগের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

অগ্রগতি প্রসঙ্গে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশীয় সক্ষমতা গড়ে তুলতে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করতে উন্নত অবকাঠামো, দ্রুত ও কার্যকর সেবা এবং বিনিয়োগযোগ্য সুযোগের শক্তিশালী পাইপলাইনকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। কিছু পরিবর্তন এরই মধ্যে কার্যকর হলেও বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

অবকাঠামো উন্নয়নের আওতায় ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্পন্ন হয়েছে। এপিএম টার্মিনালস ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েছে। নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালের ১৫ বছরের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ ইজারার জন্য আন্তর্জাতিক টার্মিনাল অপারেটরের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা চলছে।

চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনও সম্পন্ন হয়েছে। চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি) ২০২৮ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়েছে। এ অঞ্চলের প্রত্যাশিত বিনিয়োগ পাইপলাইন ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিসিইসিসি) সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ২৪ ঘণ্টা বন্দর কার্যক্রম, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স ও ব্যাংকিং সেবা চালু হয়েছে। ঢাকার তৃতীয় টার্মিনাল ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ চালুর লক্ষ্য রয়েছে। ফেনীর সোনাগাজীতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তুতি এবং মহেশখালীর কুতুবজোমে তৃতীয় ভাসমান এলএনজি সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিট স্থাপনের কাজও এগোচ্ছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিনিয়োগ সহায়তার আওতায় বিডা, বেজা ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব কর্তৃপক্ষকে একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কার্যক্রম শুরু করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) সম্পন্ন হয়েছে। উদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নিয়মিত সংলাপের ব্যবস্থাও চালু হয়েছে। প্রথম দফায় উত্থাপিত ২৮টি বিষয়ের মধ্যে ২১টিতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বাংলাবিজের তিন দিনের বিজনেস স্টার্টার প্যাকেজও কার্যকর হয়েছে। চীনের গুয়াংজুতে ইনভেস্ট বাংলাদেশের কার্যালয় অক্টোবর ২০২৬ থেকে চালুর লক্ষ্য রয়েছে।

বিনিয়োগ উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিদেশি ইকুইটি আনতে ভূমিকা রাখা যোগ্য ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট ইকুইটির ১ দশমিক ২৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশিকা অনুমোদন করা হয়েছে। মোট বিনিয়োগ পাইপলাইনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত বা বাস্তবায়ন পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এছাড়া হোটেল শৈবালকে সরকারি পর্যটন স্থাপনায় বেসরকারি বিনিয়োগের প্রথম পাইলট পিপিপি প্রকল্প হিসেবে নেয়া হয়েছে। গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার অনুমতি, অ্যাকুয়াকালচার জোনের প্রাক্-সম্ভাব্যতা যাচাই এবং দেশের প্রথম সমন্বিত বিনিয়োগ মানচিত্রায়নের কাজও এগিয়ে চলছে। ইনভেস্ট বাংলাদেশ জানিয়েছে, বিনিয়োগ পরিবেশ ও সামগ্রিক বিনিয়োগ ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করা উদ্যোগগুলোর অগ্রগতি নিয়মিতভাবে জনসাধারণকে জানানো হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/17838 ,   Print Date & Time: Tuesday, 22 September 2026, 05:43:11 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh