• হোম > অর্থনীতি | জাতীয় | দেশজুড়ে > ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের ঘাটতি শূন্যে নামানোর পরিকল্পনা :জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের ঘাটতি শূন্যে নামানোর পরিকল্পনা :জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

  • শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:২০
  • ১৭

---

ইবি রিপোর্ট

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের নতুন কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। ২৮ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। এর মাধ্যমে দেশের গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর চলমান উদ্যোগে নতুন সংযোজন হলো কূপটি।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ২০২৩ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের যে পরিকল্পনা নিয়েছে, তার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খনন করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “এসব ছোট ছোট উদ্যোগ ২০৩০ সাল নাগাদ গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান দূর করতে সহায়তা করবে। এ কূপের গ্যাস মানুষের মধ্যে স্বস্তি আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গ্যাসের উৎপাদন বাড়িয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান শূন্যে নামিয়ে আনা হবে।”

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়েছিল গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর। সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় কূপটির খননকাজ শুরু হয়। পরে গত ২৭ মে এর খননকাজ শেষ হয়। এরপর গত ১৯ জুন পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়।

ইতোমধ্যে কূপটি থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা মূল্যের গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। নতুন এই কূপের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

২৮ নম্বর কূপের প্রকল্প পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না কূপটির চাপের তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, কূপটির ওয়েলহেড শাট-ইন প্রেসার ৩ হাজার ৬০০ পিএসআই এবং ফ্লোয়িং প্রেসার ২ হাজার ১০০ পিএসআই।

জসিম উদ্দিন মুন্না বলেন, কূপটি থেকে দীর্ঘ সময় গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উত্তোলন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।

গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নতুন কূপ খনন ও উৎপাদনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকেও এখন নিয়মিত গ্যাস সরবরাহ করা হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য খালেদ হোসেন মাহবুব, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মো. জিয়াউল হক এবং বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল জলিল প্রামানিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/17680 ,   Print Date & Time: Saturday, 19 September 2026, 11:39:20 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh