
ইবি রিপোর্ট
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন নির্ধারিত দামে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম পড়বে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
শনিবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দামের তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, একই দিন সকাল ১০টা থেকে স্বর্ণের নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম বেড়েছে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা।
অর্থাৎ, স্বর্ণের মানভেদে নতুন নির্ধারিত দামে ভ্যাটসহ প্রতি ভরিতে ভিন্ন মূল্য কার্যকর হবে।
স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন নির্ধারিত দামে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা।
২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত এই দাম কার্যকর থাকবে।
তবে অলংকারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
ফলে নতুন মূল্য কার্যকরের পর স্বর্ণ ও রুপার অলংকার কেনাবেচার ক্ষেত্রে নির্ধারিত মূল্য, প্রযোজ্য মজুরি এবং বাজুসের বিদ্যমান নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।