
ইবি রিপোর্ট
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে আবারও নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দুই দফায় কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভরিতে মোট ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দর ঘোষণা করে। এতে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ১০৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এই মূল্য সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এর আগে গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়েছিল বাজুস। তখন দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা।
ফলে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দুই দফায় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম মোট ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমেছে।
এখন কত দামে বিক্রি হচ্ছে
বাজুসের সর্বশেষ নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকায়। একই সঙ্গে অন্যান্য মানের স্বর্ণের দামও কমানো হয়েছে।
২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫৪১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা কমিয়ে করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৩১ টাকা।
এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭০০ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২২ টাকা নির্ধারণ করেছে বাজুস।
সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে কত ছিল
৬ সেপ্টেম্বরের সিদ্ধান্তের আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬২ টাকা। প্রথম দফায় ২ হাজার ২১৬ টাকা কমানোর পর দাম নেমে আসে ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকায়।
এর তিন দিনের মাথায় বুধবার দ্বিতীয় দফায় আরও ১ হাজার ১০৮ টাকা কমানো হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের বর্তমান দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৮ টাকা।
বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত এই মূল্য কার্যকর থাকবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এ ছাড়া মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে।