• হোম > ইন্টাপ্রেনিউর | ডিজিটাল লাইফ | বিদেশ > নিরাপত্তা আগে, এজিআইয়ের পথে অল্টম্যানের ওপেনএআই

নিরাপত্তা আগে, এজিআইয়ের পথে অল্টম্যানের ওপেনএআই

  • মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:১৪
  • ৯

স্যাম অল্টম্যান, ওপেনএআই-এর সিইও

ইবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত পরিবর্তনশীল দুনিয়ায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায় আবারও সামনে এসেছে ওপেন এআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যানের নাম। এআইয়ের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে, কত দ্রুত নতুন সক্ষমতা তৈরি হবে এবং সেই প্রযুক্তির ঝুঁকি কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে—এসব প্রশ্নের কেন্দ্রে এখন যে কয়েকজন প্রযুক্তি নেতা রয়েছেন, অল্টম্যান তাঁদের অন্যতম।

তাঁকে নিয়ে টাইম ম্যাগাজিনের ২০২৬ সালের প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে ওপেনএআইয়ের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, এআই নিরাপত্তা, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআই এবং প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার নানা দিক।

 প্রতিবেদনটির বাংলা অনুবাদ করেছেন নাবিল আহমেদ দিপ। 

অল্টম্যানের নেতৃত্বে ওপেনএআই এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য কেবল নতুন একটি শক্তিশালী এআই মডেল তৈরি করা নয়। বরং এআই কীভাবে মানুষের কাজ, ব্যবসা ও পুরো অর্থনীতিকে বদলে দিতে পারে, সেই বৃহত্তর পরিবর্তনের অংশ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সময়ে প্রযুক্তির সক্ষমতা যত বাড়ছে, এর ঝুঁকি ও নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নও তত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

এই বাস্তবতায় অল্টম্যানের একটি বক্তব্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ।

---

তাঁর মতে, কোনো কোম্পানির ব্যবসায়িক গতি ধরে রাখার চেয়ে এআই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকার জন্য প্রযুক্তিগত সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানোর পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। ওপেনএআইয়ের বর্তমান অবস্থান বুঝতে এই বক্তব্যকে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা যায়।

তবে নিরাপত্তাকে সামনে রেখে গতি কমানোর সিদ্ধান্ত ওপেনএআইয়ের জন্য সহজ নয়।

এআই শিল্পে প্রতিযোগিতা এখন তীব্র। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে অ্যানথ্রপিক দ্রুত নতুন সক্ষমতা ও পণ্য বাজারে নিয়ে আসছে। ফলে ওপেনএআই যদি কিছু ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে অপেক্ষাকৃত সতর্ক অবস্থান নেয়, তাহলে প্রতিযোগিতায় তার প্রভাব পড়তে পারে।

অ্যানথ্রপিকের সহপ্রতিষ্ঠাতা জ্যারেড কাপলান এর আগে যুক্তি দিয়েছিলেন, প্রতিদ্বন্দ্বীরা যখন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একটি প্রতিষ্ঠান একতরফাভাবে সংযত থাকলে তাতে খুব বেশি লাভ হয় না। কিন্তু ওপেনএআই যদি সচেতনভাবেই নিজেদের পরবর্তী বড় সক্ষমতা তৈরির দৌড় কিছুটা ধীর করে, তাহলে সেই যুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হতে পারে।

অল্টম্যানের নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠানটির সামনে অবশ্য নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতার প্রশ্নও রয়েছে। ওপেনএআইয়ের নিরাপত্তা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেওয়া অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠান ছেড়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ প্রতিষ্ঠানটির বাণিজ্যিক মনোযোগ নিয়েও সমালোচনা করেছেন। ফলে নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নতুন অবস্থান বাস্তবে কতটা কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যাবে, সেটি ওপেনএআইয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।

---

এর মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি এজিআই অর্জনের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে মনে করছে। ওপেনএআইয়ের নিজস্ব সংজ্ঞায় এজিআই হলো এমন অত্যন্ত স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, যা অর্থনৈতিকভাবে মূল্যবান অধিকাংশ কাজে মানুষের সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

অল্টম্যান অবশ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করছেন না যে ওপেনএআই এজিআই অর্জন করেছে। তবে তাঁর বক্তব্যে বোঝা যাচ্ছে, এটি এখন আর দূরের কোনো কল্পনা নয়। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান গবেষণা কর্মকর্তা মার্ক চেনের হিসাব অনুযায়ী, ওপেনএআই এজিআইয়ের প্রায় ৮০ শতাংশ পথ অতিক্রম করেছে। সহপ্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকমানও মনে করেন, ভবিষ্যতে ফিরে তাকালে বর্তমান সময়কে এজিআই তৈরির গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে দেখা হতে পারে।

অল্টম্যানের হিসাব আরও নির্দিষ্ট। তাঁর মতে, ওপেনএআই এখনো পুরোপুরি এজিআই পর্যায়ে পৌঁছায়নি। তবে বছরের শেষ নাগাদ প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরে এমন একটি ব্যবস্থা থাকতে পারে, যেটিকে তিনি এজিআই হিসেবে বিবেচনা করবেন।

এজিআই অর্জন ছিল ওপেনএআই প্রতিষ্ঠার অন্যতম মূল লক্ষ্য। শুরুতে অলাভজনক গবেষণাগার হিসেবে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি এরই মধ্যে বিশাল বাণিজ্যিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাসম্পন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এখন তারা শুধু এআই মডেল তৈরিতে সীমাবদ্ধ নেই। নিজস্ব চিপ ও ডেটা সেন্টার তৈরির পরিকল্পনা করছে। ভোক্তাদের জন্য নতুন ধরনের ডিভাইস তৈরি এবং মানবসদৃশ রোবট আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। ভবিষ্যতে নিজেদের কম্পিউটিং অবকাঠামো অন্যদের কাছে বিক্রি করার বিষয়টিও বিবেচনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর ফলে ওপেনএআইয়ের পরিধি আরও বড় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একটি এআই মডেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান থেকে তারা প্রযুক্তি অবকাঠামো, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার ও ব্যবসায়িক সেবার বড় খেলোয়াড়ে পরিণত হওয়ার পথে এগোচ্ছে। ব্রকমানের বক্তব্যেও সেই উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন রয়েছে। তাঁর মতে, তারা পুরো অর্থনীতিকে রূপান্তরের দিকে তাকিয়ে আছে।

---

তবে এই বিশাল পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ওপেনএআইয়ের অভ্যন্তরেও কাঠামোগত পরিবর্তন এসেছে। অল্টম্যান এআই উত্থানের সবচেয়ে পরিচিত মুখ হলেও প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্রকমানের দায়িত্ব বেড়েছে। রাজস্ব, পণ্য বিপণন এবং গবেষণায় তৈরি মডেলকে গ্রাহকের জন্য কার্যকর পণ্যে রূপান্তরের বড় অংশ তিনি দেখছেন।

অল্টম্যান নিজে অর্থ, গবেষণা ও ভোক্তা হার্ডওয়্যারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র সরাসরি তদারক করছেন। ফলে ওপেনএআইয়ের নেতৃত্ব অনেকটা দুই প্রতিষ্ঠাতার সমন্বিত কাঠামোর ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বাইরে থেকে এই ব্যবস্থা কখনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বলে মনে হলেও প্রতিষ্ঠানটির অনেক কর্মী মনে করেন, এতে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা বেড়েছে।

ওপেনএআইয়ের সামনে সাম্প্রতিক সময়ে আরেকটি বড় শিক্ষা এসেছে কোডিংয়ের বাজারে। গত বছর স্পষ্ট হয়, এই ক্ষেত্রে অ্যানথ্রপিক ওপেনএআইয়ের আগে এগিয়ে গেছে। অ্যানথ্রপিকের কোডিং পণ্য দ্রুত সিলিকন ভ্যালি থেকে করপোরেট জগতে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ওপেনএআইয়ের সাবেক চ্যাটজিপিটি প্রধান নিক টার্লির মতে, কোডিংয়ের ক্ষেত্রে অ্যানথ্রপিক গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা আবিষ্কার করেছিল। ওপেনএআইয়ের সমস্যা ছিল, চ্যাটজিপিটির দ্রুত ভোক্তা প্রবৃদ্ধির দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়ায় কোডিংকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি।

যদিও ব্রকমানের বক্তব্য অনুযায়ী, কোডিংয়ের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক মানদণ্ডে ওপেনএআই সবসময়ই এগিয়ে ছিল। কিন্তু বাস্তব জীবনের জটিল কোডভিত্তিক কাজে একজন ব্যবহারকারী কীভাবে এআইকে কাজে লাগাবেন, সে অভিজ্ঞতার দিকে যথেষ্ট নজর দেওয়া হয়নি। ব্যবহারকারীর কাজের মাঝখানে বাধা, মডেলের আচরণ এবং ছোটখাটো ব্যবহারের সমস্যাগুলোও শেষ পর্যন্ত কোনো প্রযুক্তির গ্রহণযোগ্যতায় বড় প্রভাব ফেলে।

---

এন্টারপ্রাইজ বাজারেও ওপেনএআই নিজেদের দুর্বলতা স্বীকার করেছে। প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, এক বছর আগেও করপোরেট বাজারে তারা কার্যকরভাবে প্রতিযোগিতায় ছিল না। শুধু ভালো প্রযুক্তি তৈরি করলেই গ্রাহক সেটি গ্রহণ করবে—এমন ধারণাও বাস্তব বাজারে যথেষ্ট নয় বলে প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পেরেছে।

এই উপলব্ধি থেকেই পণ্য কৌশলেও পরিবর্তন এসেছে। মার্চে ওপেনএআই সোরার কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়ে সীমিত কম্পিউটিং সক্ষমতা কোডেক্সের দিকে সরিয়ে দেয়। কোডেক্সকে আগে চ্যাটজিপিটির বাইরে আলাদা পণ্য হিসেবে রাখা হয়েছিল। পরে এর প্রবৃদ্ধি বাড়তে থাকায় এবং এআইয়ের কোডিং সক্ষমতা শুধু প্রকৌশলীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকায় সেটিকে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে একীভূত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এই প্রক্রিয়ার ফল হিসেবে চ্যাটজিপিটিকে শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ব্যবস্থা হিসেবে না রেখে বিভিন্ন কাজ সম্পাদনে সক্ষম একটি এআই ব্যবস্থায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ওপেনএআইয়ের অভ্যন্তরে এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে ‘দ্য মার্জ’ বলা হচ্ছে।

পরিবর্তনের প্রভাব ব্যবসাতেও দেখা যাচ্ছে বলে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহীরা জানিয়েছেন। জুলাইয়ে প্রথমবারের মতো ব্যবসায়িক গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া আয় ভোক্তা খাতের আয়কে ছাড়িয়ে যায়। চ্যাটজিপিটির বিজ্ঞাপন থেকেও প্রাথমিক ফল আশাব্যঞ্জক হওয়ায় বিজ্ঞাপনের পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ওপেনএআইয়ের সামনে অবশ্য বড় আর্থিক চাপও রয়েছে। চ্যাটজিপিটির ভোক্তা ব্যবহারকারীদের ৯২ শতাংশ কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি দেন না বলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ফলে বিনা মূল্যের বিপুল ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে বিজ্ঞাপনসহ নতুন আয় মডেল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

অন্যদিকে বিনিয়োগের দিক থেকেও ওপেনএআইয়ের অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে। মার্চে প্রতিষ্ঠানটি ১২২ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়ন সংগ্রহ করে এবং এর মূল্যায়ন দাঁড়ায় ৮৫২ বিলিয়ন ডলার। দুই মাস পর অ্যানথ্রপিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন নিয়ে ৯৬৫ বিলিয়ন ডলারের মূল্যায়নে পৌঁছায়। এতে বোঝা যায়, এআই নেতৃত্বের লড়াই এখন শুধু প্রযুক্তিগত নয়; এর সঙ্গে বিপুল পুঁজি ও ব্যবসায়িক সক্ষমতার প্রতিযোগিতাও জড়িয়ে গেছে।

ওপেনএআইয়ের বোর্ড চেয়ারম্যান ব্রেট টেলরের মতে, এই প্রতিযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সবচেয়ে উন্নত মডেল তৈরি করা, প্রতিটি কাজের জন্য সঠিক দাম ও সক্ষমতার মডেল দেওয়া এবং সেই মডেলের ওপর কার্যকর পণ্য তৈরি করা। ওপেনএআই বর্তমানে এই তিন ক্ষেত্রেই নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী বলে মনে করছে।

তবে সব অর্জনের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটির সামনে নিরাপত্তার নতুন পরীক্ষা এসেছে। ওপেনএআই জানতে পেরেছে, প্রকাশের আগেই তাদের একটি মডেল প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। এই ঘটনা শক্তিশালী এআই ব্যবস্থাকে কতটা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব, সেই প্রশ্ন সামনে এনেছে।

টাইমের প্রভাবশালী এআই ব্যক্তিদের তালিকায় স্যাম অল্টম্যানের উপস্থিতির তাৎপর্য এখানেই। তাঁর নেতৃত্বে ওপেনএআই একদিকে এআইয়ের সক্ষমতার সীমা আরও সামনে ঠেলে দিতে চাইছে, অন্যদিকে সেই প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নও সামলাতে হচ্ছে।

এজিআইয়ের সম্ভাবনা যত কাছে আসছে, সিদ্ধান্তগুলোর প্রভাবও তত বড় হচ্ছে। ফলে অল্টম্যানের সামনে এখন শুধু প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নয়; বরং এমন এক প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের দায়িত্ব, যার পরিবর্তনের প্রভাব একটি প্রতিষ্ঠানের গণ্ডি ছাড়িয়ে পুরো অর্থনীতিতেও পড়তে পারে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/16884 ,   Print Date & Time: Tuesday, 8 September 2026, 12:42:48 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh