• হোম > অর্থনীতি > এয়ারবাসের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ চায় ইইউ

এয়ারবাসের জন্য ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ চায় ইইউ

  • মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:৫৩
  • ৮

---

ইবি আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 বাংলাদেশে ইউরোপীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষ করে উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস-এর জন্য সরকারি কেনাকাটায় সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একই সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নিয়ন্ত্রণমূলক ও অ-শুল্ক বাধাগুলো অপসারণের তাগিদ দিয়েছে ২৭ দেশের এই ব্লক।

গতকাল রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে ইইউভুক্ত ২৭ দেশের প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূতরা সরকারি কেনাকাটায়—বিশেষ করে বাংলাদেশের উড়োজাহাজ ক্রয় পরিকল্পনায় উন্মুক্ত ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা নিশ্চিতের দাবি জানান।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বোয়িংয়ের সঙ্গে ৩.৭ বিলিয়ন (৩৭০ কোটি) ডলারের চুক্তি সই হলেও—রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে উড়োজাহাজ সরবরাহে এয়ারবাসের দেওয়া প্রস্তাবটি ‘খুব গুরুত্ব সহকারে’ বিবেচনা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান মিলার।

মাইকেল মিলার বলেন, ‘আমাদের দৃষ্টিতে, এয়ারবাসের একটি অবিশ্বাস্য প্রতিযোগিতামূলক অফার রয়েছে। এটিকে খুব গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত। আমরা এয়ারবাস ও বিমানের মধ্যে খুব দ্রুত আলোচনা সমাপ্তির প্রত্যাশা করছি।’

ইইউ প্রতিনিধি দল সমুদ্রপথে বাংলাদেশের মোট আমদানি-রপ্তানির ৫০ শতাংশ বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজে পরিবহনের আইনি বাধ্যবাধকতা পুনর্বিবেচনারও আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, এ ধরনের বাধ্যবাধকতা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের বাধা তৈরি করে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এবং চলতি বছরের ২ মার্চ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দুটি বৈঠকে ইইউ বাংলাদেশে ইউরোপীয় ব্যবসা ও বিনিয়োগকে প্রভাবিত করে এমন ৬১টি অ-শুল্ক বাধা (নন-ট্যারিফ ব্যারিয়ার) বাধা দূর করার সুপারিশ করেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ইইউর উত্থাপন করা ৬১টি ইস্যুর মধ্যে ৪৮টির সমাধান করা হয়েছে। এই সমাধানের তালিকায় এয়ারবাস ইস্যুটিও রয়েছে। বাকি ১৩টি ইস্যু সমাধানের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এয়ারবাস প্রসঙ্গে গতকালের বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপন করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এয়ারবাস ও অন্যান্য এয়ারক্রাফট প্রস্তুতকারকদের প্রস্তাবগুলো—একটি স্বাধীন কারিগরি আর্থিক কমিটি মূল্যায়ন করেছে। কারিগরি ও বাণিজ্যিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ফলে প্রক্রিয়ার মধ্যে অন্যায্যতার কোনো সুযোগ নেই।

তবে বাংলাদেশের সরকারি কেনাকাটায় সব প্রতিষ্ঠান যাতে সমান শর্তে প্রতিযোগিতা করতে পারে, তার ওপর জোর দিয়ে মিলার বলেন, ‘সরকারি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত বাণিজ্যিক যোগ্যতার ভিত্তিতে নেওয়া উচিত। যাতে ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো অন্য দেশের কোম্পানির সঙ্গে সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারে।’

যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে ইইউ রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য এলো।

গত ৩০ এপ্রিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বোয়িংয়ের কাছ থেকে ৩.৭ বিলিয়ন ডলারে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই করে। এসব উড়োজাহাজ ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে সরবরাহ করার কথা রয়েছে।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণে এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই সময় এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই প্রক্রিয়া আর চূড়ান্ত হয়নি। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক, মার্কিন শুল্কনীতি এবং বোয়িংয়ের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে— বিমান বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিতে যায়।

তবে এয়ারবাসের সঙ্গে আলোচনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ইইউর পক্ষ থেকে এখন সেই আলোচনাকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

গত জুলাইয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত টিবিএসকে জানান, সরকার ১০টি এয়ারবাস ক্রয়ের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ৩১ আগস্টের মধ্যে চুক্তি সইয়ের আশা করছে। যদিও তা নির্ধারিত সময়ে স্বাক্ষরিত হয়নি।

পতাকাবাহী জাহাজের আইনি বাধ্যবাধকতা শিথিলের তাগিদ

ইইউ উত্থাপিত অন্যতম প্রধান ইস্যু হলো—সমুদ্রপথে বাংলাদেশের মোট আমদানি-রপ্তানির অর্ধেক বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজে পরিবহনের আইনি বাধ্যবাধকতা।

বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) আইন, ২০১৯ এবং বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ (স্বার্থরক্ষা) বিধিমালা, ২০২৩ এ এই বাধ্যবাধকতা রয়েছে।যেখানে বলা হয়েছে বাংলাদেশ যত পণ্য আমদানি ও রপ্তানি করবে, তার ৫০ শতাংশ বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজে করতে হবে। তবে পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশি জাহাজ পাওয়া না গেলে, নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের অনাপত্তির ভিত্তিতে বিদেশি জাহাজে পণ্য পরিবহন করা যাবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, সরকারি ৭টি ও বেসরকারি ১১৫টি-সহ মোট ১২২টি জাহাজ রয়েছে বাংলাদেশি পতাকাবাহী। বাংলাদেশের বার্ষিক আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ প্রায় ১৩০ বিলিয়ন ডলার। এর অর্ধেক মূল্যের পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা এই জাহাজ বহরের নেই।

তিনি বলেন, ‘এখন বিদেশি জাহাজকে বাংলাদেশি পণ্য পরিবহন শিপিং কর্পোরেশনের এনওসি (অনাপত্তি পত্র) নিতে হয়, যেটি এক ধরনের বাণিজ্যিক বাধা। আমরা ফ্ল্যাগ ভেসেল প্রটেকশন অ্যাক্ট সংশোধনের মাধ্যমে এই বাধা দূর করার উদ্যোগ নেব।’

তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কনসার্ন (উদ্বেগ) এবং পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজের ভূমিকা তুলে ধরে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় বিষয়টি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে দেশের সমুদ্রগামী জাহাজের সেবাদানকারী সংস্থা ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী টিবিএসকে বলেন, আমদানি বা রপ্তানিকারকরা পণ্য পরিবহণের সময় বাংলাদেশি জাহাজ না পেলে সাথে সাথেই বিদেশি জাহাজ নিতে পারছেন। আইনেই এই সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে আইনের এই সুযোগকে কোনো ধরনের বাণিজ্য বাধা হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক হবে না। আইনে বিদেশি জাহাজের জন্য যে সুযোগ রাখা হয়েছে সেটি সঠিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের বোঝাতে হবে।

আইনি সুরক্ষা তুলে দেওয়া হলে বিশাল দেশীয় বেসরকারি বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।

তিনি বলেন, “৩/৪ বছর আগেও দেশের বেসরকারি খাতে মাত্র ৩৯টি সমুদ্রগামী জাহাজ ছিল। মাত্র ১৪ জন উদ্যোক্তা এ খাতে ৩.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে ১১৫টি জাহাজে উন্নীত করেছে। এই বিনিয়োগ এসেছে আইনি সহায়তার পরিপ্রেক্ষিতে। ফলে এই সুবিধা তুলে নিলে এই বিপুল বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়বে।”

লজিস্টিকস খাতে সুযোগ বাড়ানোর দাবি

এছাড়া লজিস্টিকস খাতে বিদেশি কোম্পানির শতভাগ মালিকানা নিয়ে বিনিয়োগের সুযোগ, সমুদ্র বন্দর থেকে আইসিডিতে পণ্য পরিবহন সহজ ও দ্রুততর করার জন্য রেলের লোকোমোটিভ ম্যানেজমেন্ট উন্নত করতে সার্ভিস কনট্র্যাক্ট অ্যারেজমেন্ট পদ্ধতি চালু করা এবং ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স খাতে বিনিয়োগের সুযোগ চায় ইইউ।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এসব প্রতিবন্ধকতার বেশ কয়েকটি দূর করতে সরকার ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করেছে।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আবুল কাশেম খান টিবিএসকে বলেন, বাংলাদেশের লজিস্টিকস সেক্টরে যে পরিমাণ বিদেশি বিনিয়োগ আসার কথা ততোটা আসেনি। বিদেশি বিনিয়োগকারিদের বিনিয়োগের ওপর সীমা আরোপ করা ছিলো, যা সর্বশেষ বাজেটে দূর করা হয়েছে। লাইসেন্স সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা হলে এ খাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে।

তিনি বলেন, “অর্থনীতিকে বড় করতে হলে বাংলাদেশের লজিস্টিকস খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ প্রয়োজন। তাই নিয়মকানুন সহজ করার এই উদ্যোগ ইতিবাচক।”

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ও এফটিএ আলোচনা

জাতিসংঘের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা আরও তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার যে প্রস্তাব বাংলাদেশ দিয়েছে, তাতে ইইউ-এর সমর্থন চেয়েছে ঢাকা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা আশা করছি ইইউ বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ প্রক্রিয়া পিছিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবে সমর্থন জানাবে। সেটা ভোটে বা অন্য যে প্রক্রিয়ায় হোক।”

ইইউ হলো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজার, একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইইউ-এর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এবং বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি নিয়ে প্রাথমিক ও প্রস্তুতিমূলক আলোচনা শিগগিরই শুরু হতে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি ও বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাবের পর ইউরোপীয় কমিশন ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। ইইউ সদস্য দেশগুলোর প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন হলে, চলতি সপ্তাহ থেকেই এ বিষয়ে যৌথ কারিগরি আলোচনা শুরু হতে পারে।

তিনি বলেন, “উভয় পক্ষের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে হলে একটি স্বচ্ছ, স্থিতিশীল ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয়ই লাভবান হবে।”

ইইউ-এর ১৩টি সুপারিশ এখনও অমীমাংসিত

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র অনুযায়ী, ইইউ চিহ্নিত ৬১টি বিষয়ের মধ্যে ১৩টি এখনও পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব হয়নি।

এগুলোর মধ্যে রয়েছে শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন লজিস্টিকস কোম্পানির লাইসেন্সিং জটিলতা। যদিও মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে জানিয়েছে এটি নিরসনে কাজ চলছে বলে ইইউকে জানিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজের আইনি বাধ্যবাধকতা, সাময়িক আমদানি ও পুনরায় রপ্তানি (রি-এক্সপোর্ট) প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আইআরসি (ইম্পোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট) ও আমদানি নিবন্ধন সহজীকরণ।

মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সরকার ইতোমধ্যে আমদানি নিবন্ধন প্রক্রিয়া থেকে ছয়টি ধাপ কমিয়ে এনেছে।

বাকি অমীমাংসিত সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—রেলের ধীরগতির পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা, নৌবাহিনীর দরপত্র প্রক্রিয়ায় সংস্কার, ঋণপত্র (এলসি) সংশোধনের সময়সীমা কমানো, লাইসেন্সিং ব্যবস্থা সহজ করা, ইইউ-সুপারিশকৃত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং গাইডলাইন চালু, মেধা স্বত্বাধিকার (আইপিআর) সুরক্ষা জোরদার করা এবং নকল পণ্য প্রতিরোধ।

সরকার প্রস্তাবিত ‘প্রতিরক্ষা ক্রয় আইন ২০২৬’-এর মাধ্যমে নৌবাহিনীর দরপত্র সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানের পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে এলসি সংশোধনের সময় কমাতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ২০২৫’ সংশোধনের বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে।

এছাড়া সরকার গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) তৈরিতে কাজ করছে এবং মেধা স্বত্ব সুরক্ষায় ‘ট্রেডমার্কস আইন ২০০৯’ সংশোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে রয়্যালটি, ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট এবং নিবন্ধনের ওপর দ্বৈত কর সংক্রান্ত সুপারিশগুলো এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/16868 ,   Print Date & Time: Tuesday, 8 September 2026, 09:19:42 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh