
ইবি রিপোর্ট
সরকারি চাকরিজীবীরা অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছেন প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপনের দিকে। নতুন এই বেতন কাঠামোর আদেশ আগামীকাল রবিবারই প্রকাশ পাওয়ার কথা রয়েছে।
প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে দিন গুনছেন দেশের সরকারি চাকরিজীবীরা। নতুন এই বেতনকাঠামো সংক্রান্ত আদেশ আগামী রবিবার প্রকাশ পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে গেজেট প্রকাশের চূড়ান্ত মুহূর্তে বেশ কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও জটিলতা দেখা দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে প্রজ্ঞাপনটি জারি করা নিয়ে চাকরিজীবীদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জানা গেছে, পে স্কেলের গেজেটের খসড়া ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় মুদ্রণ কাজ শেষে খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।
এরপর এসআরও নম্বরসহ সব ধরনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব জটিল প্রক্রিয়া শেষ করা এখন সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবারের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারির কথা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি, যার ফলে নতুন সময়সীমা হিসেবে আগামী রবিবার নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থসচিবও নিশ্চিত করেছেন যে আগামী ৬ সেপ্টেম্বরই নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। ফলে বর্তমানে সবার নজর রয়েছে বিজি প্রেস ও অন্যান্য দপ্তরের শেষ মুহূর্তের কার্যক্রমের ওপর।
এর আগে গত সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতন স্কেলটি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায়। একই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য ‘যৌথবাহিনী নির্দেশাবলী-২০২৬’ অনুমোদন করা হয়েছে এবং এসব সিদ্ধান্ত চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
অনুমোদিত নতুন বেতন স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রাখা হলেও প্রতিটি গ্রেডের মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কাঠামো অনুযায়ী সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া বেতন বৈষম্য কমিয়ে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের অনুপাত ১:১.৭৮ এ নামিয়ে আনা হয়েছে, যার ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ১৪২ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।