• হোম > জাতীয় | রাজনীতি | সারাদেশ > সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার ঘোষণা

সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার ঘোষণা

  • শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৫২
  • ২৫

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

ধর্মকে পুঁজি করে বাংলাদেশকে বিভক্ত করার চেষ্টা এবং অশান্তি সৃষ্টির যেকোনো অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোরের টাউন হল ময়দানে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্মকে পুঁজি করে সস্তা রাজনীতির মাধ্যমে যারা বাংলাদেশকে বিভক্ত করতে চাইবে এবং দেশে অশান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করবে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তারা যে রাজনৈতিক দলেরই নেতা হোক কিংবা যে ধর্মেরই অনুসারী হোক, তাদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোনো মানুষ বঞ্চিত হবেন না। একইভাবে কেউ যেন ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে পিছিয়ে না পড়েন এবং কেউ যেন অতিরিক্ত সুবিধা নিতে না পারেন, সেটিও নিশ্চিত করা হচ্ছে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘ধর্ম একটি বিশ্বাস, একটি চেতনা।’ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসের পার্থক্যকে কেন্দ্র করে যেন সমাজে বৈষম্য তৈরি না হয়, সে বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন। ধর্মীয় ভিন্নতা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে বিভাজনের কারণ নয়, বরং সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের শক্তি হওয়া উচিত।

আলোচনা সভায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু এবং যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শান্তি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তব্য শেষে দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় অতিথিরা মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালন করেন। পরে টাউন হল ময়দান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রাটি শহরের দড়াটানা ও গাড়িখানা এলাকা প্রদক্ষিণ করে আবার টাউন হল ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/16572 ,   Print Date & Time: Friday, 4 September 2026, 11:56:35 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh