• হোম > জাতীয় | বাংলাদেশ | রাজনীতি > সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিতের তাগিদ নাহিদের

সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিতের তাগিদ নাহিদের

  • শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩:০১
  • ৮

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

দেশে বিগত সময়ে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ওপর ধারাবাহিকভাবে নির্যাতন ও নিপীড়ন চালানো হলেও এসব ঘটনার সুষ্ঠু বিচার হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, বিগত সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের ওপর নানা ধরনের অত্যাচার, নিপীড়ন ও অবিচার করা হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এসব ঘটনার যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হয়নি। এর ফলে বিচারহীনতার একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর সেই বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা চলছে। দেশের সামগ্রিক বিচার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও নিরপেক্ষ অবস্থানে দাঁড় করানোর জন্য জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, দেশে স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকার ও বিরোধী দলসহ সবার অন্যতম প্রধান জাতীয় দায়িত্ব। বর্তমানে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় কিছুটা স্থিতিশীলতার দিকে এগোলেও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে টেকসই করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করা প্রয়োজন।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্ব তুলে ধরে নাহিদ ইসলাম বলেন, একটি কার্যকর ও অর্থবহ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখা জরুরি। সত্যিকারের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ছাড়া একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা টেকসই করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক যেন নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি স্বাধীনভাবে পালন করতে পারেন, সে পরিবেশ নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয় বা সম্প্রদায়গত ভিন্নতার কারণে কোনো নাগরিক যেন বৈষম্য, নির্যাতন বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন—এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই হওয়া উচিত সবার লক্ষ্য।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/16563 ,   Print Date & Time: Friday, 4 September 2026, 09:16:17 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh