• হোম > > করোনাভাইরাস: এপ্রিল মাস যে কারনে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সংকটপূর্ণ সময়

করোনাভাইরাস: এপ্রিল মাস যে কারনে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে সংকটপূর্ণ সময়

  • বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২০, ১৪:০৯
  • ৮০৩

ভাইরাস সংক্রমণ রোধে পদক্ষেপ নেয়ার পরও জনসমাগম করে কলকারখানা শ্রমিকদের ঢাকা ছাড়া এবং পরে আবার ঢাকায় ফেরত আসার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মানুষ

ভাইরাস সংক্রমণ রোধে পদক্ষেপ নেয়ার পরও জনসমাগম করে কলকারখানা শ্রমিকদের ঢাকা ছাড়া এবং পরে আবার ঢাকায় ফেরত আসার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মানুষ

বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে কোভিড-১৯ পরীক্ষা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগীর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের জন্য করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এপ্রিল মাসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একদিকে যেমন সামাজিক সংক্রমণ দেখা দিতে শুরু করেছে, তেমনি সেটা ঠেকিয়ে রাখার জন্য ছুটি লকডাউনসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। তারপরেও রোগটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলে দীর্ঘদিন ধরে ভুগতে হবে।

পাঁচই এপ্রিল আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান সংক্রমণের তৃতীয় স্তরে প্রবেশে করেছে বাংলাদেশ। কারণ ঢাকার টোলারবাগ ও বাসাবো, নারায়ণগঞ্জ, মাদারীপুর (শিবচর), গাইবান্ধা (সাদুল্লাপুর)-এসব এলাকায় ‘ক্লাস্টার’ বা গুচ্ছ আকারে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে।

এর আগে মার্চ মাসের শেষের দিকে তিনি জানিয়েছিলেন, সীমিত আকারে কমিউনিটিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে বলে তারা দেখতে পাচ্ছেন।

ঢাকার বাইরের অনেকগুলো জেলাতেও করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়েছে। যাদের মধ্যে নারী, পুরুষ, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ রয়েছে।

বুধবার আইইডিসিআর পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বিবিসি বাংলাকে বলেন, বাংলাদেশ এখন সংক্রমণের দিক থেকে তৃতীয় ও চতুর্থ স্তরের মাঝামাঝিতে রয়েছে। ভাইরাসটি কমিউনিটিতে ছড়িয়ে পড়লেও সেটা এখনো ক্লাস্টার আকারে রয়েছে।

সংক্রমণের প্রথম স্তর বলা হয়ে থাকে যখন দেশে কোন রোগী শনাক্ত না হয়। দ্বিতীয় স্তর বলা হয়, যখন বিদেশ ফেরতদের মাধ্যমে রোগী শনাক্ত হয়। তৃতীয় স্তর হচ্ছে সীমিত আকারে সমাজে রোগটি ছড়িয়ে পড়া।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/1654 ,   Print Date & Time: Wednesday, 4 February 2026, 01:41:44 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh