• হোম > জাতীয় > সুবিধামতো সময়েই ভারতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী: চিফ হুইপ

সুবিধামতো সময়েই ভারতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী: চিফ হুইপ

  • বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৪৯
  • ১৫

---

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর সুবিধামতো সময়ে ভারত সফর করবেন বলে মন্তব্য করেছেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কখন ভারতে যাবেন, সেই সময়সূচি অন্য কোনো পক্ষ নির্ধারণ করে দিলে বাংলাদেশ তা মেনে চলবে না।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাই কোনো দেশের নির্ধারিত সময়সূচি বা নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরের সিদ্ধান্ত নেবেন না। বাংলাদেশের প্রয়োজন, সুবিধা ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করেই এ ধরনের সফরের সময় নির্ধারণ করা হবে।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ। বাংলাদেশ কোনো প্রতিবেশী দেশকে উপেক্ষা করে না। তবে পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের নিজস্ব স্বার্থ ও অগ্রাধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতি হলো—‘সবার আগে বাংলাদেশ’। সেই নীতির ভিত্তিতেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা হবে।

চিফ হুইপ বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে যার সঙ্গে যেভাবে সম্পর্ক তৈরি ও উন্নয়ন করা সম্ভব, বাংলাদেশ সেভাবেই এগিয়ে যাবে।

মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক

ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে বজায় রাখা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। তবে যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই উভয় দেশের জনগণের স্বার্থ ও পারস্পরিক সম্মানকে গুরুত্ব দিতে হবে।

ভারতে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের প্রসঙ্গ

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গত ১৬-১৭ বছরে দেশের মানুষের ওপর নিপীড়ন, গুম ও খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের প্রসঙ্গও তোলেন নুরুল ইসলাম মনি।

তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অনেক ব্যক্তি ভারতে পালিয়ে গেছেন। বাংলাদেশ প্রত্যাশা করে, ভারত কোনো অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেবে না।

চিফ হুইপ বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের প্রকৃত কল্যাণ চায়, তাহলে যারা দেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ধ্বংস করেছে, তাদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক জনগণকেন্দ্রিক ও পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা বাড়াতে এ ধরনের বিষয়গুলোতে পারস্পরিক সংবেদনশীলতা ও সম্মান বজায় রাখা জরুরি।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/16440 ,   Print Date & Time: Thursday, 3 September 2026, 05:40:27 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh