• হোম > বাণিজ্য > অর্থায়ন সংকটে মিরসরাইয়ের ৭ হাজার কোটি টাকার ইস্পাত প্রকল্প

অর্থায়ন সংকটে মিরসরাইয়ের ৭ হাজার কোটি টাকার ইস্পাত প্রকল্প

  • মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৭
  • ১৩

---

 

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

মিরসরাই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বসুন্ধরা মাল্টি স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বড় অঙ্কের ইস্পাত প্রকল্পটি অর্থায়ন-সংক্রান্ত জটিলতায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ২০২১ সালে প্রায় ৪ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটির ব্যয় এরই মধ্যে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১১৮ কোটি টাকায়। কিন্তু অনুমোদিত সিন্ডিকেটেড ঋণের ১ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা এখনো ছাড় না হওয়ায় নির্মাণকাজ শেষ করা এবং আমদানি করা যন্ত্রপাতি খালাস নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় সংকট।

এর মধ্যে প্রকল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতিবাহী প্রায় ২৭৫টি কনটেইনার দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে রয়েছে। এসব যন্ত্রপাতির মূল্য প্রায় ৫৩৪ কোটি টাকা হলেও বন্দর চার্জ, ডেমারেজসহ অন্যান্য ব্যয় যোগ হয়ে সংশ্লিষ্ট খরচ প্রায় ৯৫০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে কোম্পানি।

বার্ষিক ১২ লাখ ৫০ হাজার টন উৎপাদনক্ষমতার এই ইস্পাত কারখানায় ২০২৫ সালের জুলাইয়ে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো উৎপাদনে যেতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

ছাড় হয়নি ১,৭৬৫ কোটি টাকার ঋণ

কোম্পানির কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির জন্য আটটি বাণিজ্যিক ব্যাংক মিলে ২ হাজার ৩০৫ কোটি টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ অনুমোদন করেছিল। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৫৪০ কোটি টাকা ছাড় হয়েছে।

অবশিষ্ট ১ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা ছাড় না হওয়ায় প্রকল্পের নির্মাণকাজ শেষ করা, বন্দরে আটকে থাকা মূলধনী যন্ত্রপাতি খালাস এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি উৎপাদনে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

কোম্পানির হিসাবে, অর্থায়ন-সংক্রান্ত বিলম্বসহ বিভিন্ন কারণে ২০২১ সালের তুলনায় প্রকল্প ব্যয় প্রায় ৭২ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থায়ন নিয়ে মূল বিরোধ কোথায়

প্রকল্পের অর্থায়ন আটকে যাওয়ার মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালকে বসুন্ধরা গ্রুপ থেকে পৃথক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচনা করা হবে কি না—এই প্রশ্ন।

কোম্পানির দাবি, সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল একটি স্বতন্ত্র ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। তাদের আর্থিক হিসাব এবং ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বা সিআইবি রেকর্ডও আলাদা।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অবস্থান ভিন্ন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী একই পরিচালক থাকা একাধিক প্রতিষ্ঠানের কোনো একটি ঋণখেলাপি হলে সংশ্লিষ্ট অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রেও তার প্রভাব পড়ে।

সিন্ডিকেটেড ঋণের লিড ব্যাংক অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার পর ঋণের অর্থ ছাড় বন্ধ রাখা হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুসারে কোনো কোম্পানি ঋণখেলাপি হলে একই মালিকানার অন্য কোম্পানিও ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে।

তবে রপ্তানিমুখী ব্যবসা বা বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যাংক কোম্পানি আইনের আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিকারের সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি। বসুন্ধরার প্রকল্পটি বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন কোনো নির্দেশনা দিলে ঋণের অর্থ ছাড় করা হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্য

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আরিফ হোসেন খান বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানের ঋণ খেলাপি হলে একই পরিচালকদের মালিকানাধীন অন্য প্রতিষ্ঠানও ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়ে।

তবে এই প্রকল্পে ইতোমধ্যে করা বড় অঙ্কের বিনিয়োগের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকও গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বলে জানান তিনি।

তার মতে, প্রচলিত আইনি কাঠামোর মধ্যে বিষয়টি বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করতে পারে।

চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে ২৭৫ কনটেইনার

অর্থায়ন সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে প্রকল্পের আমদানি করা যন্ত্রপাতির ওপর। কোম্পানির কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২৭৫টি কনটেইনারে করে আনা মূলধনী যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে আটকে রয়েছে।

এসব যন্ত্রপাতির আনুমানিক মূল্য ৫৩৪ কোটি টাকা। কিন্তু প্রায় দুই বছর ধরে খালাস না হওয়ায় বন্দর চার্জ, ডেমারেজ ও অন্যান্য ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে।

কোম্পানির দাবি, এসব অতিরিক্ত ব্যয় যোগ হয়ে মোট খরচ প্রায় ৯৫০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

দীর্ঘ সময় বন্দরে যন্ত্রপাতি আটকে থাকার ফলে প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সূচিও পিছিয়ে যাচ্ছে। কোম্পানির ধারণা, বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আরও প্রায় ১৮ মাস বিলম্ব হতে পারে।

প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন

অর্থায়ন সংকট ও অন্যান্য জটিলতার কারণে প্রকল্পের মেয়াদ ১৮ মাস বাড়ানোর আবেদন করেছে কোম্পানিটি। কিন্তু ওই আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষাতেই ইতোমধ্যে ১২ মাস পেরিয়ে গেছে।

ফলে প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য হাতে থাকা সময় ক্রমেই কমে আসছে। একই সঙ্গে আটকে থাকা যন্ত্রপাতি দ্রুত খালাস করা না গেলে প্রকল্পের ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সিন্ডিকেটেড ঋণে অংশ নেওয়া আটটি ব্যাংকের মধ্যে চারটি ব্যাংক এখনো অর্থায়নের মেয়াদ বাড়ায়নি বলেও জানিয়েছে কোম্পানি।

ইতোমধ্যে বিনিয়োগ ১ হাজার কোটি টাকার বেশি

সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) সাহেদ জাহিদ জানান, অর্থায়ন সংকটে নির্মাণকাজের গতি কমে যাওয়ার আগেই প্রকল্পে ১ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ করেছে কোম্পানি।

তার মতে, বিলম্ব যত বাড়ছে, প্রকল্পের ব্যয় ও আর্থিক চাপও তত বাড়ছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারী এবং ঋণদাতা উভয় পক্ষের ওপরই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সাহেদ জাহিদ দাবি করেন, সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল একটি পৃথক করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং তাদের সিআইবি রেকর্ডও আলাদা। এ বিষয়টি প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

তার বক্তব্য, প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ আলাদা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের আলাদাভাবে বিবেচনা না করায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ঝুঁকিতে পড়েছে।

কোম্পানির আরও দাবি, বসুন্ধরা মাল্টি স্টিল ইন্ডাস্ট্রিজ বা সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবাল—কোনোটিরই বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো আর্থিক দায় নেই। তাই ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে মূল্যায়ন করা উচিত।

৪,১৪৬ কোটি থেকে ব্যয় ৭,১১৮ কোটি

প্রকল্পটির আরেকটি বড় সংকট হলো ব্যয় বৃদ্ধি। ২০২১ সালে এর প্রাক্কলিত ব্যয় ছিল ৪ হাজার ১৪৬ কোটি টাকা। ২০২৬ সালে সেই ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১১৮ কোটি টাকায়।

অর্থাৎ পাঁচ বছরের মধ্যে প্রকল্প ব্যয় বেড়েছে প্রায় ২ হাজার ৯৭২ কোটি টাকা বা প্রায় ৭২ শতাংশ।

কোম্পানির কর্মকর্তারা বলছেন, এই ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো টাকার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন, ঋণের সুদহার বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন।

সিন্ডিকেটেড ঋণ অনুমোদনের সময় প্রতি ডলারের দাম ছিল প্রায় ৮৬ টাকা। বর্তমানে তা প্রায় ১২৩ টাকা হওয়ায় বিদেশ থেকে আমদানি করা যন্ত্রপাতি এবং বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধযোগ্য অন্যান্য ব্যয়ের টাকার অঙ্ক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বৈশ্বিক সংকটেও বেড়েছে ব্যয়

কোম্পানির দাবি, কোভিড-১৯ মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় তৈরি হওয়া সংকট এবং দেশীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন—সব মিলিয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন ব্যয় বেড়েছে।

সাহেদ জাহিদের তথ্য অনুযায়ী, অর্থায়ন সংকটে প্রকল্পের কাজ কার্যত থমকে যাওয়ার আগে প্রায় অর্ধেক নির্মাণকাজ শেষ হয়েছিল।

কিন্তু অর্থের সংকট এবং যন্ত্রপাতি খালাসে জটিলতা তৈরি হওয়ায় পরবর্তী কাজ এগিয়ে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঋণের বাড়তি সুদ। কোম্পানির হিসাবে, গত ১৮ মাসে তাদের ঋণের সুদহার প্রায় ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ দশমিক ৫৫ শতাংশে পৌঁছেছে।

উৎপাদন শুরুর আগেই বাড়ছে আর্থিক চাপ

কারখানাটি এখনো বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে পারেনি। ফলে কোনো পরিচালন আয় ছাড়াই প্রকল্পটিকে ঋণের সুদ ও অন্যান্য অর্থায়ন ব্যয় বহন করতে হচ্ছে।

একদিকে নির্মাণকাজ শেষ করতে নতুন অর্থ প্রয়োজন, অন্যদিকে বন্দরে পড়ে থাকা যন্ত্রপাতি খালাস করতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। আবার প্রকল্পের কাজ যত দীর্ঘায়িত হচ্ছে, সুদ ও ডেমারেজসহ অন্যান্য ব্যয়ও তত বাড়ছে।

এই পরিস্থিতি প্রকল্পটির আর্থিক সক্ষমতার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে।

চালু হলে কর্মসংস্থান হবে প্রায় ৩ হাজার মানুষের

মিরসরাই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রায় ৭০ একর জমির ওপর প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কারখানাটি চালু হলে বছরে ১২ লাখ ৫০ হাজার টন ইস্পাত উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হবে।

একই সঙ্গে প্রায় ৩ হাজার মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ার কথা রয়েছে।

কারখানাটিতে রিবার কয়েল ও ওয়্যার রড উৎপাদনের পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব পণ্য বাংলাদেশ বর্তমানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে আমদানি করে থাকে। ফলে প্রকল্পটি চালু হলে স্থানীয় বাজারে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে আমদানি নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

আট ব্যাংকের জন্যও তৈরি হচ্ছে ঝুঁকি

অর্থায়ন নিয়ে চলমান অচলাবস্থা শুধু উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের জন্য নয়, সিন্ডিকেটেড ঋণে অংশ নেওয়া আটটি ব্যাংকের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে বলে মনে করছেন কোম্পানির কর্মকর্তারা।

তাদের মতে, আংশিক নির্মিত শিল্পপ্রকল্প, চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বিপুল পরিমাণ আমদানি করা যন্ত্রপাতি এবং ক্রমবর্ধমান ঋণ পরিশোধ ব্যয়—সবকিছু মিলিয়ে অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে প্রকল্পটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে নেওয়া আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

একটি বড় শিল্পপ্রকল্পে ইতোমধ্যে হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হয়ে যাওয়ার পর অর্থায়নের জটিলতা সমাধান না হলে বিনিয়োগের নিরাপত্তা, ব্যাংকের ঋণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থান—সবকিছুই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

এখন প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ভর করছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরবর্তী সিদ্ধান্ত, আট ব্যাংকের অর্থায়ন এবং বন্দরে আটকে থাকা যন্ত্রপাতি দ্রুত খালাসের ওপর। অর্থায়ন জটিলতার সমাধান হলে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রকল্পটি আবার গতি পেতে পারে; আর বিলম্ব অব্যাহত থাকলে ব্যয় ও আর্থিক চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

 


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/16240 ,   Print Date & Time: Wednesday, 2 September 2026, 07:59:40 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh