• হোম > বাণিজ্য > সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক ১ শতাংশ

সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্ক ১ শতাংশ

  • শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫৪
  • ৮৫

---

ই-বাংলাদেশ রিপোর্ট

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্প্রতি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো আগের মতোই মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির সুবিধার আওতায় সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে ১ শতাংশ আমদানি শুল্ক দিতে পারবে।

কাস্টমস স্টেশনগুলোতে এনবিআরের একটি বিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রণ আদেশ বা এসআরওর ‘ভুল ব্যাখ্যা’ করা নিয়ে ব্যবসায়ীরা উদ্বেগ জানানোর পর এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছে এনবিআর। ওই ভুল ব্যাখ্যার কারণে আমদানিকারকদের কাছ থেকে আগে প্রযোজ্য ১ শতাংশের পরিবর্তে ১৭ শতাংশ আমদানি শুল্ক আদায় করা হচ্ছিল।

এনবিআরের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে ১ শতাংশ শুল্কের সুবিধা আগের মতোই পাবে। নতুন এসআরওতে এই সুবিধা বাতিল করা হয়নি।

তবে বাণিজ্যিক ব্যবহারকারীসহ অন্যান্য ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে বেশি হারে শুল্ক দিতে হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, গত বাজেটে সরকার সৌর সরঞ্জামের জন্য অতিরিক্ত কিছু সুবিধা চালু করেছিল। তবে বিদ্যমান কোনো সুবিধা প্রত্যাহার করা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘তবে কাস্টমসের মূল্যায়ন কর্মকর্তাসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা আদেশটির ভুল ব্যাখ্যা করেছেন। ফলে ১ শতাংশের পরিবর্তে ১৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ব্যাখ্যা দেওয়ার পর সমস্যাটির সমাধান হবে।’

ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সূত্র জানায়, বাড়তি শুল্ক আরোপের পর বেশির ভাগ আমদানিকারক তাঁদের পণ্য চালান খালাস না করে আটকে রেখেছিলেন। এতে ব্যবসায়ীদের জন্য নানা জটিলতা তৈরি হয়।

ব্যবসায়ীরা বলেন, এনবিআরের আরও আগেই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে কিছু সৌর সরঞ্জামের ওপর এখনো উচ্চহারে শুল্ক বহাল থাকায় তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, এতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রসার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসআরইএ) সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ বলেন, এনবিআরের ব্যাখ্যার ফলে আপাতত শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সৌর সরঞ্জাম আমদানিতে শুল্কসংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তবে কিছু ক্ষেত্রে ইনভার্টারের মতো সৌর সরঞ্জামের ওপর আমদানি শুল্ক এখনো ২৮ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে। আর ব্যাটারির ওপর শুল্ক ৫০ শতাংশের বেশি। এর ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ও আওতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বাধা তৈরি হচ্ছে।’


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/15999 ,   Print Date & Time: Monday, 19 October 2026, 05:55:57 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh