• হোম > দেশজুড়ে > ২০২৭ সালেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু: প্রতিমন্ত্রী

২০২৭ সালেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু: প্রতিমন্ত্রী

  • বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৩৭
  • ৫

---

 

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

২০২৭ সালেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এমপি। তিনি বলেছেন, এটি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের দুঃখ-দুর্দশা লাঘব হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার পাশাপাশি কৃষি, মৎস্য ও হাঁস পালনের সুযোগ বাড়ানো হবে। এর ফলে স্থানীয় মানুষ আরও স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ যেন স্বাচ্ছন্দ্যে কৃষিকাজ, মাছ চাষ ও হাঁস পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে দীর্ঘদিনের নানা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সারের সংকট নিয়ে প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ

অনুষ্ঠানে দেশের সার সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধীদল কৃত্রিমভাবে সারের সংকট তৈরি করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।

তিনি জানান, আগের সরকারের সময়ে নিয়োগ পাওয়া সার ডিলারদের অনেকেই এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। সাধারণ কৃষকদের কাছে সহজে সার পৌঁছে দিতে প্রতি ইউনিয়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে একজন করে ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কেউ যাতে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করতে না পারে, সে বিষয়েও নজরদারি বাড়ানোর কথা জানান তিনি। অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

মহানবী (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শায়লা সাঈদ তন্বী, ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুল্লাহ এবং ডোমার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. রেয়াজুল ইসলাম কালুসহ স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

 

 

 


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/15911 ,   Print Date & Time: Wednesday, 26 August 2026, 12:58:01 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh