• হোম > বাণিজ্য > স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগই হতে পারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন ভিত্তি

স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগই হতে পারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন ভিত্তি

  • সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৭
  • ২৬

---

 

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি শুধু শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন কিংবা বিনিয়োগের ওপর নির্ভর করে না। অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো সুস্থ, দক্ষ ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী। মানুষ সুস্থ থাকলে দীর্ঘ সময় কর্মক্ষেত্রে যুক্ত থাকতে পারে, উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং পরিবারের চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ কমে। বিপরীতে দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা, চিকিৎসার উচ্চ ব্যয় এবং স্বাস্থ্যসেবার সীমিত সুযোগ শ্রমঘণ্টা নষ্ট করার পাশাপাশি ব্যক্তি ও পরিবারের সঞ্চয় এবং বিনিয়োগ সক্ষমতাও কমিয়ে দেয়।

এ কারণে স্বাস্থ্য খাতে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগকে শুধু জনকল্যাণমূলক ব্যয় হিসেবে না দেখে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক বিনিয়োগ হিসেবে দেখার তাগিদ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, বাংলাদেশ শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের নতুন পর্যায়ে যেতে চাইলে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য খাতকে আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আগের অর্থবছরের সংশোধিত বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এই বরাদ্দ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১ দশমিক ১ শতাংশের সমান।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বরাদ্দ বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। বরাদ্দের অর্থ কার্যকরভাবে ব্যবহার, স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার, চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।

স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির সম্পর্ক

স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে অর্থনীতির সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। একজন সুস্থ কৃষক, পোশাকশ্রমিক, উদ্যোক্তা কিংবা অফিসকর্মী অসুস্থ ব্যক্তির তুলনায় বেশি সময় ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারেন। ফলে তাঁর উৎপাদনশীলতা বাড়ে এবং জাতীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।

অন্যদিকে কোনো পরিবারের একজন সদস্য দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকলে পরিবারের আয়ের বড় একটি অংশ চিকিৎসা ব্যয়ে চলে যেতে পারে। এতে পরিবারের ভোগ, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ—তিনটিই বাধাগ্রস্ত হয়। একইভাবে কর্মীদের অসুস্থতার কারণে কর্মঘণ্টা নষ্ট হলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কমে এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও রোগ নির্ণয়কেন্দ্রগুলোকে মানসম্মত সেবার আওতায় আনার পাশাপাশি সেবার মূল্য এবং রোগীর অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার নজর দিচ্ছে।

দেশের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করার প্রয়োজন

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি ডিজিটাল ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্য কার্ডের মাধ্যমে রোগীর স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হলে রোগীর বারবার একই পরীক্ষা করার প্রয়োজন কমতে পারে। পাশাপাশি চিকিৎসকের কাছে রোগীর আগের রোগের ইতিহাস দ্রুত পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী দ্রুত চিকিৎসা এবং উপযুক্ত হাসপাতালে স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হবে।

অর্থনৈতিক দিক থেকেও এর গুরুত্ব রয়েছে। অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় কমানো গেলে ব্যক্তি ও রাষ্ট্র—উভয়েরই অর্থ সাশ্রয় হবে।

বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইকোনমিক রিসার্চ (সিএসইআর) স্বাস্থ্য খাতকে একই সঙ্গে সামাজিক সেবা ও গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে দেখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারপারসন ও ল্যাবএইড হাসপাতাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিফ শামীমের মতে, স্বাস্থ্যসেবাকে শুধু রোগীর চিকিৎসার বিষয় হিসেবে দেখলে এ খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বড় অংশ অদেখা থেকে যাবে।

হাসপাতাল, বিশেষায়িত চিকিৎসা, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা প্রযুক্তি, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, প্রশিক্ষিত জনবল ও গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ বাড়লে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়, তার একটি অংশ দেশেই ধরে রাখা সম্ভব হবে।

বিশেষ করে ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনি রোগসহ জটিল রোগের চিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক না রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে তুলতে পারলে ঢাকার ওপর রোগীর চাপ কমবে এবং স্থানীয় পর্যায়েও কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

স্বাস্থ্য খাতে PPP-এর সম্ভাবনা

স্বাস্থ্য খাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব বা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্ব হবে নীতি প্রণয়ন, নিয়ন্ত্রণ, মান নিশ্চিতকরণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও প্রণোদনা দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের জন্য সেবার সুযোগ নিশ্চিত করা। অন্যদিকে বেসরকারি খাত বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি, ব্যবস্থাপনা দক্ষতা ও সেবা প্রদানের সক্ষমতা নিয়ে অংশ নিতে পারে।

জেলা পর্যায়ে PPP মডেলে বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তোলা হলে স্থানীয় জনগোষ্ঠী নিজ এলাকার কাছাকাছি উন্নত চিকিৎসার সুযোগ পেতে পারে। ক্যানসার, হৃদরোগ, কিডনি চিকিৎসা, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), উন্নত রোগ নির্ণয়, মাতৃ ও শিশুসেবা এবং জরুরি চিকিৎসার মতো সুবিধা আঞ্চলিক পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

তবে শুধু হাসপাতাল নির্মাণ করলেই হবে না। কোন এলাকায় কী ধরনের হাসপাতাল প্রয়োজন, কত শয্যা দরকার, কী ধরনের চিকিৎসক ও নার্স প্রয়োজন এবং কী ধরনের আধুনিক যন্ত্রপাতি লাগবে—এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা করতে হবে।

চিকিৎসা ব্যয় মানুষের নাগালের মধ্যে রাখার তাগিদ

স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা গ্রহণের সক্ষমতা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক হাসপাতাল তৈরি হলেও যদি অধিকাংশ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়, তাহলে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া কঠিন।

এ ক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট চিকিৎসা ও সেবার জন্য ভর্তুকি, স্বাস্থ্য কার্ড কিংবা বীমাভিত্তিক অর্থ পরিশোধ ব্যবস্থা চালু করতে পারে। নিম্নআয়ের মানুষের জন্য নির্ধারিত মূল্যে চিকিৎসার সুযোগ তৈরি করা গেলে বেসরকারি স্বাস্থ্য অবকাঠামোকে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাজে লাগানো সম্ভব হবে।

অর্থাৎ স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবসায়িকভাবে টেকসই হওয়া এবং জনস্বার্থ—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা প্রয়োজন।

ঢাকার বাইরে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ জরুরি

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ চিকিৎসাসেবার অসম বণ্টন। রাজধানী ও বড় শহরগুলোতে তুলনামূলকভাবে আধুনিক হাসপাতাল এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার সুযোগ থাকলেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে তা অনেক সীমিত।

ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোগীদের ঢাকায় আসতে হয়। এতে চিকিৎসার ব্যয়ের পাশাপাশি যাতায়াত ও থাকার খরচ বাড়ে। রোগীর সঙ্গে পরিবারের সদস্যদেরও অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় করতে হয়।

এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে জেলা ও আঞ্চলিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা বিশেষায়িত চিকিৎসা হাব গড়ে তোলা যেতে পারে। এতে রাজধানীর ওপর চাপ কমার পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চিকিৎসাপ্রাপ্তিও সহজ হবে।

প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবার গুরুত্ব

ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়বে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), টেলিমেডিসিন, ডিজিটাল স্বাস্থ্য রেকর্ড, দূরবর্তী রোগ নির্ণয় এবং তথ্যনির্ভর চিকিৎসাব্যবস্থা দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরও কার্যকর করতে পারে।

প্রত্যন্ত অঞ্চলে সব ধরনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়মিত উপস্থিত রাখা সবসময় সম্ভব নয়। তবে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের রাজধানী বা বড় শহরের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব।

একইভাবে ডিজিটাল স্বাস্থ্যতথ্য সংরক্ষণ করা গেলে রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস দ্রুত জানা যাবে। এতে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা কমবে, চিকিৎসার সময় কমবে এবং রোগী ও রাষ্ট্র—উভয়ের ব্যয়ও কমানো সম্ভব হবে।

স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রয়োজন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ ড. রুমানা হকের মতে, স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানো ইতিবাচক হলেও অর্থের দক্ষ ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার কাঠামোগত সংস্কার জরুরি।

স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগকে দারিদ্র্য কমানো, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখতে হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে রোগের জটিলতা কমার পাশাপাশি ব্যয়বহুল চিকিৎসার ওপর চাপও কমতে পারে।

এ জন্য হাসপাতাল নির্মাণের পাশাপাশি চিকিৎসা যন্ত্রপাতি আমদানি, চিকিৎসা প্রযুক্তি, মেডিকেল শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় বিনিয়োগের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল নীতিমালা প্রয়োজন।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতকে যুক্ত করার সময়

বাংলাদেশ যখন শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে, তখন সুস্থ ও দক্ষ মানবসম্পদ নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ স্বাস্থ্যবান জনগোষ্ঠী ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা কঠিন।

স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একদিকে মানুষের জীবনমান উন্নত করা সম্ভব, অন্যদিকে শ্রমশক্তির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, কর্মঘণ্টা রক্ষা, পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় কমানো এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগও সৃষ্টি হয়।

তাই স্বাস্থ্য খাতকে কেবল চিকিৎসাসেবা দেওয়ার ক্ষেত্র হিসেবে না দেখে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। সরকারি নীতি, বেসরকারি বিনিয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কার্যকর নিয়ন্ত্রণ—এই চারটির সমন্বয় ঘটাতে পারলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে টেকসই ও উচ্চ প্রবৃদ্ধির পথে নিতে হলে সুস্থ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ, জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা সম্প্রসারণ, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা এবং জনবান্ধব নীতিমালা নিশ্চিত করা গেলে স্বাস্থ্য খাত ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/15774 ,   Print Date & Time: Monday, 24 August 2026, 03:36:52 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh