• হোম > রাজনীতি > নিজেকে ভোট দিতে পারবেন মির্জা ফখরুল, সুযোগ নেই কর্নেল অলির

নিজেকে ভোট দিতে পারবেন মির্জা ফখরুল, সুযোগ নেই কর্নেল অলির

  • বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৩৮
  • ১১০

---

 

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

 

রাষ্ট্রপতি পদে ভোটের লড়াই হতে যাচ্ছে প্রায় তিন যুগ পর। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় কোনো প্রার্থীরই নিজেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ হয়নি। তবে এবার সেই সুযোগ পাচ্ছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি নিজেই নিজেকে ভোট দিতে পারবেন। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরবিক্রম কর্নেল (অব.) অলি আহমদ প্রার্থী হলেও নিজেকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন না।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে ৩৪৯ জনের ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এই তালিকায় সংসদ সদস্য হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম রয়েছে। ফলে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলেও তিনি ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে মির্জা ফখরুলকে সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে।

অন্যদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নিলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট তাকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করেছে। কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার কেবল সংসদ সদস্যদের থাকায় প্রার্থী হয়েও নিজেকে ভোট দিতে পারবেন না অলি আহমদ।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে। বর্তমান সংসদে বিএনপির দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে। বিপরীতে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ১১-দলীয় ঐক্যের সদস্য সংখ্যা ৯০।

সংবিধানের ৪৮ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন। একই অনুচ্ছেদের (৪) দফা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না যদি তিনি ৩৫ বছরের কম বয়সী হন, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য না হন বা আগে সংবিধানের অধীনে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হয়ে থাকেন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘নির্বাচনি কর্তা’ হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করবেন। এ জন্য জাতীয় সংসদ কক্ষে সংসদ সদস্যদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে নির্বাচনি কর্তা সভাপতিত্ব করবেন।

সংসদের অধিবেশন চলাকালে নির্বাচন প্রয়োজন হলে ভোটগ্রহণের অন্তত সাত দিন আগে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভোটের সময়সূচি নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন। সংসদের অধিবেশন না থাকলে ভোটগ্রহণের দিন নির্ধারণের ক্ষেত্রে অন্তত সাত দিন আগে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংসদের বৈঠক আহ্বান করা হবে।


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/15530 ,   Print Date & Time: Friday, 9 October 2026, 12:17:22 AM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh