• হোম > খেলা | ফুটবল > মারামারির ঘটনায় আল-আমিন নিষিদ্ধ ১৫ ম্যাচ

মারামারির ঘটনায় আল-আমিন নিষিদ্ধ ১৫ ম্যাচ

  • মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৭
  • ১৩

---

 

ই-বাংলাদেশ ডেস্ক

মালদ্বীপে চার জাতির ফুটবল টুর্নামেন্টে মারামারির ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয় দলের ফুটবলার আল-আমিনকে ১৫ আন্তর্জাতিক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফা। একই ঘটনায় বাংলাদেশের মিডফিল্ডার মিরাজুল ইসলামকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

গত জুনে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচে বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে মাঠে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এ ঘটনায় আল-আমিন ও মিরাজুল দুজনই লাল কার্ড দেখেন।

ঘটনার একপর্যায়ে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আল-আমিন তাকে ধাক্কা দেন। পরে বিষয়টি ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির নজরে আসে এবং তদন্তের পর আল-আমিনকে ১৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচের সংখ্যা বিবেচনায় এই নিষেধাজ্ঞা প্রায় দুই বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে পারে। ফলে এ সময় জাতীয় দল কিংবা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলার সুযোগ পাবেন না আল-আমিন।

বাংলাদেশের ফুটবলে সাম্প্রতিক সময়ে এত বড় নিষেধাজ্ঞার নজির নেই। এর আগে ১৯৮৯ সালে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সাফ গেমসে রেফারিকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় বাংলাদেশ দলের তৎকালীন অধিনায়ক ইলিয়াস হোসেনকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

আল-আমিনের জন্য অবশ্য নিষেধাজ্ঞার ঘটনা নতুন নয়। ২০২০-২১ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের হয়ে খেলেছিলেন তিনি। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে ক্লাবটি নিষিদ্ধ হওয়ার পর কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে আল-আমিনকেও এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

মালদ্বীপের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে’ গত ৭ জুন স্বাগতিকদের বিপক্ষে ম্যাচে ঘটনাটির সূত্রপাত হয়। যোগ করা সময়ে বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে মালদ্বীপের হাসান ইনাজ মাটিতে পড়ে গেলে রেফারি মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিক দেন।

এই সিদ্ধান্ত ঘিরে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সাইড বেঞ্চ থেকে প্রতিবাদ করায় প্রথমে লাল কার্ড দেখেন মিরাজুল। পরে মাঠে রেফারির সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আল-আমিনও লাল কার্ড দেখেন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।

ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ সময় আন্তর্জাতিক ফুটবলের বাইরে থাকতে হবে আল-আমিনকে। অন্যদিকে মিরাজুলের নিষেধাজ্ঞা দুই ম্যাচ হওয়ায় তুলনামূলকভাবে দ্রুতই জাতীয় দলের হয়ে ফেরার সুযোগ থাকবে তার।

 

 


This page has been printed from Entrepreneur Bangladesh - https://www.entrepreneurbd.com/15480 ,   Print Date & Time: Tuesday, 18 August 2026, 12:42:45 PM
Developed by: Dotsilicon [www.dotsilicon.com]
© 2026 Entrepreneur Bangladesh