![]()
ই-বাংলাদেশ ডেস্ক
চিকিৎসার জন্য দেশের কোনো নাগরিককে যেন বিদেশে যেতে না হয় এবং অর্থের অভাবে কেউ যেন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত না হন—এমন একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের সম্প্রসারিত ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট নতুন ভবন উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। স্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি ই-হেলথ কার্ডসহ আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা সহজলভ্য করাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। চিকিৎসার জন্য যেন দেশের মানুষকে বিদেশে যেতে না হয়, সে লক্ষ্যেই স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে নাগরিকের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক সক্ষমতার কারণে কোনো মানুষ যাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে।
স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি শিশুদের সুস্বাস্থ্যের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের সুস্বাস্থ্য ও শিক্ষার নিশ্চয়তা দিতে এখন থেকেই বিশেষভাবে নজর দিতে হবে।
তিনি শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে দেশের স্বাস্থ্য অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের জন্য মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
নতুন ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী চিকিৎসক জুবাইদা রহমানও তাঁর সঙ্গে ছিলেন।
সরকারের নতুন স্বাস্থ্য উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের চিকিৎসাসেবার সুযোগ আরও বাড়বে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমবে বলে সংশ্লিষ্টদের আশা।